সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার অভিযোগ

মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিবাদ সভা পণ্ড

আইবি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, চাকরির নিশ্চয়তা এবং নতুন ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে পণ্ড হয়েছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে প্রকল্পের ২ নম্বর গেইটের সামনে মহেশখালী জন সুরক্ষা মঞ্চ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করে। তবে সভা শুরুর আগেই পুলিশ ও আনসার সদস্যরা তা বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন জন সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি নুর মোহাম্মদ।

তিনি বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ন্যায্য দাবির পক্ষে প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোলপাওয়ার কর্তৃপক্ষ আমাদের সেই অধিকারটুকুও কেড়ে নিয়েছে। আমরা অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সিপিজিসিবিএল ও জাইকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এমনকি পুনর্বাসন সংক্রান্ত একটি পুস্তিকা স্থানীয়দের মধ্যে বিতরণ করা হয়। কিন্তু তালিকাভুক্ত অনেক পরিবার এখনও ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া দক্ষতা উন্নয়নে টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপন এবং প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার থেকে একজনকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার অঙ্গীকারও বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ইউপি সদস্য নুরুল আবছার ও মো. আলী বলেন, “প্রকল্পের কারণে মানুষ জমি ও কর্ম হারিয়েছে। কিন্তু প্রতিবাদ করতে গেলেও পুলিশ বাধা দিচ্ছে। আমরা কোলপাওয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য দাবি পূরণের আহ্বান জানাই।”

অন্যদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সূত্র দাবি করেছে, প্রকল্প কর্তৃপক্ষের অনুরোধে তারা এ উদ্যোগ নেয়। তাছাড়া এ আয়োজনে প্রশাসনের পূর্ব অনুমতি ছিল না।

এ বিষয়ে কোলপাওয়ার কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার প্রশ্নে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এসইউটি/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধার অভিযোগ

মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিবাদ সভা পণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, চাকরির নিশ্চয়তা এবং নতুন ভূমি অধিগ্রহণ বন্ধের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে পণ্ড হয়েছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে প্রকল্পের ২ নম্বর গেইটের সামনে মহেশখালী জন সুরক্ষা মঞ্চ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করে। তবে সভা শুরুর আগেই পুলিশ ও আনসার সদস্যরা তা বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন জন সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি নুর মোহাম্মদ।

তিনি বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ন্যায্য দাবির পক্ষে প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কোলপাওয়ার কর্তৃপক্ষ আমাদের সেই অধিকারটুকুও কেড়ে নিয়েছে। আমরা অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সিপিজিসিবিএল ও জাইকা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এমনকি পুনর্বাসন সংক্রান্ত একটি পুস্তিকা স্থানীয়দের মধ্যে বিতরণ করা হয়। কিন্তু তালিকাভুক্ত অনেক পরিবার এখনও ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া দক্ষতা উন্নয়নে টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপন এবং প্রতিটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার থেকে একজনকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার অঙ্গীকারও বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ইউপি সদস্য নুরুল আবছার ও মো. আলী বলেন, “প্রকল্পের কারণে মানুষ জমি ও কর্ম হারিয়েছে। কিন্তু প্রতিবাদ করতে গেলেও পুলিশ বাধা দিচ্ছে। আমরা কোলপাওয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য দাবি পূরণের আহ্বান জানাই।”

অন্যদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সূত্র দাবি করেছে, প্রকল্প কর্তৃপক্ষের অনুরোধে তারা এ উদ্যোগ নেয়। তাছাড়া এ আয়োজনে প্রশাসনের পূর্ব অনুমতি ছিল না।

এ বিষয়ে কোলপাওয়ার কর্তৃপক্ষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার প্রশ্নে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এসইউটি/