সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

কক্সবাজারে এক মাসে সাড়ে ২১ লাখ ইয়াবা জব্দ, আটক ৩৪২

আইবি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫ ১২৮ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

কক্সবাজারে বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযানে গত এক মাসে ২১ লাখ ৭৯ হাজার ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ হয়েছে। এসময় ৩৪২ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২৪ আগস্ট) কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান টাস্কফোর্সের সদস্য সচিব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল।

তিনি জানান, সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত এই টাস্কফোর্স গত ২০ জুলাই থেকে অভিযান শুরু করে। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মিনহাজুল আলম।

এক মাসে জব্দ হওয়া মাদকের মধ্যে রয়েছে— ২১ লাখ ৭৯ হাজার ইয়াবা, ২ কেজি ৫৮৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ, এক হাজার ৪৯২.৫ লিটার দেশি মদ, ৭৩৫ ক্যান বিয়ার ও ৩৮ কেজি গাঁজা।

সোমেন মন্ডল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার সীমান্তকে মাদক কারবারিরা ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। টাস্কফোর্স গঠনের পর সমন্বিত অভিযান জোরদার হওয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।

শুধু আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। গণমাধ্যমের সহযোগিতাও আমরা প্রত্যাশা করছি।”

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই কক্সবাজার বিআইএম আঞ্চলিক কেন্দ্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

সদস্য সচিব জানান, সমন্বিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা, মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক-সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করাই টাস্কফোর্সের প্রধান লক্ষ্য।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

কক্সবাজারে এক মাসে সাড়ে ২১ লাখ ইয়াবা জব্দ, আটক ৩৪২

আপডেট সময় : ০১:৪৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

 

কক্সবাজারে বিশেষ টাস্কফোর্সের অভিযানে গত এক মাসে ২১ লাখ ৭৯ হাজার ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ হয়েছে। এসময় ৩৪২ জন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২৪ আগস্ট) কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান টাস্কফোর্সের সদস্য সচিব ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল।

তিনি জানান, সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে গঠিত এই টাস্কফোর্স গত ২০ জুলাই থেকে অভিযান শুরু করে। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মিনহাজুল আলম।

এক মাসে জব্দ হওয়া মাদকের মধ্যে রয়েছে— ২১ লাখ ৭৯ হাজার ইয়াবা, ২ কেজি ৫৮৫ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ, এক হাজার ৪৯২.৫ লিটার দেশি মদ, ৭৩৫ ক্যান বিয়ার ও ৩৮ কেজি গাঁজা।

সোমেন মন্ডল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কক্সবাজার সীমান্তকে মাদক কারবারিরা ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। টাস্কফোর্স গঠনের পর সমন্বিত অভিযান জোরদার হওয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা সম্ভব হয়েছে।

শুধু আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এ সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। গণমাধ্যমের সহযোগিতাও আমরা প্রত্যাশা করছি।”

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই কক্সবাজার বিআইএম আঞ্চলিক কেন্দ্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

সদস্য সচিব জানান, সমন্বিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা, মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক-সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করাই টাস্কফোর্সের প্রধান লক্ষ্য।