থানায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ, ওসিসহ ৪ পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার
- আপডেট সময় : ১২:১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫ ১০০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের চকরিয়া থানার হাজতে দুর্জয় চৌধুরী (২৭) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় থানার ওসি শফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ছাড়া এএসআই হানিফ মিয়া ও দুই কনস্টেবলকে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার রাতে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মো. সাইফউদ্দীন শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একইসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিনকে প্রধান করে চকরিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ ও কোর্ট ইন্সপেক্টর আনোয়ার উল ইসলামকে সদস্য করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও পদক্ষেপ নিয়েছে। রোববার দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক-১ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া খানমকে ওএসডি করা হয়। পাশাপাশি মাউশি চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালককে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ জানিয়েছেন, দুর্জয়ের পকেট থেকে দুটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে ২১ আগস্ট রাতে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি টাকা আত্মসাতের মামলায় অফিস সহকারী দুর্জয় চৌধুরীকে আটক করে থানার আলাদা কক্ষে রাখা হয়। ওই রাতেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশের দাবি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রাত ১২টা ৪২ মিনিট থেকে ১টা ২২ মিনিট পর্যন্ত দুর্জয় চারবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এরপর তিনি ক্যামেরার আওতার বাইরে চলে যান।
তবে দুর্জয়ের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকালে চকরিয়া কেন্দ্রীয় কালীমন্দির দুর্গাপূজা কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়।
















