মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করব: ওবাইদুল কাদের নদভী
- আপডেট সময় : ১০:৫৪:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে রিকশা প্রতীকের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা ওবাইদুল কাদের নদভী কাসেমী (হাফি.) বলেছেন, আগামী দিনে আল্লাহর রহমতে ও জনগণের ভালোবাসায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করব, ইনশাআল্লাহ।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
তিনি বলেন, “আল্লাহ পাক যদি সংসদে যাওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে সর্বপ্রথম আমি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—শেষ নবী, শ্রেষ্ঠ নবী—তার পরে আর কোনো নবী আসবেন না, এই মর্মে একটি আইন পাস করার জন্য প্রস্তাব করব। এবং তার জন্য আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব।”
নিজের নির্বাচনী এলাকা নিয়ে নদভী বলেন, “মহেশখালী-কুতুবদিয়া—এটা দুইটা দ্বীপ। দ্বীপ অঞ্চল হওয়ার কারণে মানুষ ঘূর্ণিঝড় থেকে নিরাপত্তার জন্য যা কিছু দরকার, সেটা যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে কুতুবদিয়ায় বেরিবাঁধ দরকার। রাস্তাঘাট খুবই নাজুক অবস্থায় আছে। জেলেরা মাছ ধরতে গেলে তাদের জন্য নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থা নেই। আর মহেশখালী-কুতুবদিয়ার মধ্যে সংযোগ সুন্দর না। অথচ একটাই সিট। মহেশখালী থেকে কুতুবদিয়া, কুতুবদিয়া থেকে মহেশখালী আসার জন্য সুন্দর একটি ব্যবস্থা দরকার, সেটা হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “মহেশখালীতে যদিও গভীর সমুদ্র বন্দর ও কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, তারপরও সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ নেই। এসব বিষয়ে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া যায় কিনা—দেখব। রাস্তাঘাট মানুষের সহজ চলাচলের জন্য সুন্দর করে তৈরি করা যায় কিনা—সেটা করব। চিকিৎসার ক্ষেত্রে—মানুষ যাতে দূরে গিয়ে হাসপাতালে যেতে না হয়—তাদের কাছে চিকিৎসার বা মোবাইল মেডিকেল টিম ব্যবস্থা করা যায় কিনা, মোবাইল হাসপাতাল বরাদ্দ করা যায় কিনা, এবং যে হাসপাতালগুলো আছে তাদের সক্ষমতা বাড়ানো যায় কিনা—সে ব্যাপারে আমি চেষ্টা করব।”
মনোনয়ন নিয়ে নদভী বলেন, “আমি কক্সবাজার-২ আসন (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) থেকে রিকশা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমি চাচ্ছি শুধু ইসলামের খেদমতের জন্য। ইসলামের পক্ষে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি, তার জন্য আমি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।”
আল্লামা মামুনুল হক সম্পর্কে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস রিকশা প্রতীকের আমীর আল্লামা মামুনুল হক সাহেব (হাফি.) অত্যন্ত সাহসী এবং ইসলামের পক্ষে আপসহীনভাবে কথা বলার মতো একজন ব্যক্তি। তার মনোনীত একজন প্রার্থী হতে পেরে আমি মনে করি, আমি স্বাধীনভাবে ইসলামের পক্ষে কাজ করতে পারব।”















