হাতিয়ায় তাঁতীদল নেতার বাড়ি থেকে ককটেলসহ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ১১:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর হাতিয়ায় তাঁতীদল ইউনিয়ন সভাপতির বাড়ি থেকে ১০টি ককটেলসহ চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বেদনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভোরে হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জোড়খালী গ্রামের তাঁতীদল নেতা সৈকতের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সরকার পরিবর্তনের পর থেকে আলাউদ্দিন সাত মাস ধরে শ্যালক সৈকতের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়ির পাশে একটি বাগানে পালিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় তার সঙ্গে থাকা আরও ১৫–২০ জন সহযোগী পালিয়ে যায়। পরে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১০টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজমল হুদা বলেন, “আটক আলাউদ্দিনকে নাশকতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। পলাতক অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, আলাউদ্দিন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হরিষপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
তাঁতীদল নেতা সৈকত গ্রেপ্তার হওয়া আলাউদ্দিনের ভগ্নিপতি। তিনি বলেন, “আলাউদ্দিন আমাদের বাড়িতে ছিলেন কি না, তা আমি জানি না। তিনি আমার ভগ্নিপতি হলেও আমি এই ঘটনায় জড়িত নই।”
তাঁতীদলের উপজেলা সভাপতি ফরহাদ উদ্দিন বলেন, “সৈকতের বাড়ি থেকে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তারের বিষয়টি শুনেছি। যদি প্রমাণ হয় তিনি আশ্রয় দিয়েছেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আটকের পর আলাউদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা জানান, সরকারের পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে যান এবং এ সুযোগে শ্যালক সৈকত তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় অর্থ আদায় করেন। এখন তিনি দায় এড়িয়ে যাচ্ছেন।
পুলিশ বলছে, সরকারবিরোধী নাশকতার জন্য সংঘবদ্ধ হচ্ছিল কিছু লোক। এই ঘটনার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।














