নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল ছিল কিনা জানালেন আজাদ মজুমদার
- আপডেট সময় : ০৩:০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বক্তব্য শুরু হতেই অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলও ওয়াকআউট করা দলে ছিলেন কিনা বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে আজাদ মজুমদার জানান, নেতানিয়াহু ভাষণ দেয়ার পর বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করে।
পোস্টে তিনি লেখেন, নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় আজ সকালে প্রধান উপদেষ্টার দুটি পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। প্রথম কর্মসূচি ছিল বিভিন্ন দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীদের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম নিজামী গাঞ্জাভি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক, যা সকাল ৯টায় হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, দ্বিতীয় কর্মসূচি ছিল ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, যা অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সকাল সাড়ে ১০টায়। কর্মসূচি শেষে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল যখন সাধারণ পরিষদের হলরুমে প্রবেশ করে, তখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন সেন্ট ভিনসেন্টের প্রধানমন্ত্রী রালফ গনজালভেস।
আজাদ মজুমদার বলেন, এর আগে ইসরাইল, পাকিস্তান ও চীনের প্রধানমন্ত্রীরা তাদের বক্তব্য শেষ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল—এমন প্রচারণা আসলে পতিত শক্তির অপপ্রচার ছাড়া কিছুই নয়। মিথ্যাই এখন তাদের একমাত্র অবলম্বন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নেতানিয়াহু ভাষণ শুরু করতেই হল থেকে বেরিয়ে যান সেখানে উপস্থিত বেশির ভাগ কর্মকর্তা ও কূটনীতিক।

সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, শুধুমাত্র আরব ও মুসলিম নেতারাই অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেননি, তাদের সঙ্গে সঙ্গে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান আফ্রিকা ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের কূটনীতিকরাও।
ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, ৫০টির বেশি দেশের শতাধিক কূটনীতিক ওয়াকআউট করেছেন। যারা চেয়ারে বসে ছিলেন তাদেরও অনেককে হাততালি দিয়ে উদ্যাপন করতে দেখা যায়। একাধিক গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের জন্য সংরক্ষিত চেয়ারগুলোও ফাঁকা।
এসইউটি/
















