সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

জমিয়ত নেতা মুশতাক গাজীনগরী হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি দলের

ইনসাইড ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৯৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজীনগরীকে হত্যা করার ঘটনার রহস্য উদঘাটন, হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জমিয়ত মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজীনগরী একজন বিশিষ্ট আলেম, ত্যাগী সংগঠক ও আদর্শ শিক্ষক ছিলেন। সুদীর্ঘকাল ধরে তিনি শিক্ষকতা ও সাংগঠনিক কাজে নিবেদিতপ্রাণভাবে কাজ করেছেন।

তথ্যমতে গত ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় তিনি সুনামগঞ্জ শহরে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। রাত সাড়ে ১০টায় দিরাই রাস্তা পয়েন্টে বনফুল মিষ্টির দোকানের সিসিটিভিতে তাকে দেখা যায়। রাত সাড়ে ১১টায় একই স্থানের আরেকটি সিসিটিভিতে তিনি দৃশ্যমান হন। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের ৫৮ ঘণ্টা পর ৫ সেপ্টেম্বর সকালে দিরাই থানার শরীফপুর গ্রামের ইটভাটার পাশে পুরাতন সুরমা নদীতে স্থানীয়রা তার লাশ ভাসতে দেখে।

সংবাদ সম্মেলনে জমিয়ত মহাসচিব সরকারের কাছে ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন—

১. অনতিবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসি দিতে হবে।

২. পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

৩. সরকারকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি সাধন করতে হবে।

৪. নির্বাচনের যথোপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন:

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জমিয়ত সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জয়নুল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা লোকমান মাতহারী, মুফতি আফযাল রাহমানী, মাওলানা রাশেদ ইলিয়াস, প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুফতি জাবের কাসেমী, মাওলানা হেদায়েতুল ইসলাম, মুফতি মাহবুবুল আলম কাসেমী, ছাত্র জমিয়ত সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী, মাওলানা হাসান আহমদ ও মাওলানা বোরহানউদ্দিন প্রমুখ।

এসইউটি/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

জমিয়ত নেতা মুশতাক গাজীনগরী হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি দলের

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সদস্য ও সুনামগঞ্জ জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজীনগরীকে হত্যা করার ঘটনার রহস্য উদঘাটন, হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে দলটি।

রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জমিয়ত মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী বলেন, মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজীনগরী একজন বিশিষ্ট আলেম, ত্যাগী সংগঠক ও আদর্শ শিক্ষক ছিলেন। সুদীর্ঘকাল ধরে তিনি শিক্ষকতা ও সাংগঠনিক কাজে নিবেদিতপ্রাণভাবে কাজ করেছেন।

তথ্যমতে গত ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় তিনি সুনামগঞ্জ শহরে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। রাত সাড়ে ১০টায় দিরাই রাস্তা পয়েন্টে বনফুল মিষ্টির দোকানের সিসিটিভিতে তাকে দেখা যায়। রাত সাড়ে ১১টায় একই স্থানের আরেকটি সিসিটিভিতে তিনি দৃশ্যমান হন। রাত ১১টা ৪০ মিনিটে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের ৫৮ ঘণ্টা পর ৫ সেপ্টেম্বর সকালে দিরাই থানার শরীফপুর গ্রামের ইটভাটার পাশে পুরাতন সুরমা নদীতে স্থানীয়রা তার লাশ ভাসতে দেখে।

সংবাদ সম্মেলনে জমিয়ত মহাসচিব সরকারের কাছে ৪ দফা দাবি তুলে ধরেন—

১. অনতিবিলম্বে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসি দিতে হবে।

২. পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

৩. সরকারকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি সাধন করতে হবে।

৪. নির্বাচনের যথোপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন:

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জমিয়ত সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জয়নুল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা লোকমান মাতহারী, মুফতি আফযাল রাহমানী, মাওলানা রাশেদ ইলিয়াস, প্রচার সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুফতি জাবের কাসেমী, মাওলানা হেদায়েতুল ইসলাম, মুফতি মাহবুবুল আলম কাসেমী, ছাত্র জমিয়ত সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী, মাওলানা হাসান আহমদ ও মাওলানা বোরহানউদ্দিন প্রমুখ।

এসইউটি/