হিজাব-দাড়ি বৈষম্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি হেফাজতের
- আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫ ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

ভিকারুননিসা নূন স্কুলে হিজাবী ছাত্রীদের ক্লাস থেকে বের করে দেওয়া এবং হবিগঞ্জে দাড়ি রাখায় তিন কনস্টেবলকে শাস্তি দেওয়ার ঘটনাকে ধর্মীয় স্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
সোমবার (২৫ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির আমীর আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেন তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি ভিকারুননিসা নূন স্কুলে এক নারী শিক্ষিকা ধর্মপ্রাণ ২২ হিজাবী ছাত্রীকে “জঙ্গি” আখ্যা দিয়ে ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছেন। অন্যদিকে হবিগঞ্জে তিন কনস্টেবলকে অনুমতি ছাড়া দাড়ি রাখার অভিযোগে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এ দুই ঘটনাই ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্বের ঘৃণ্য উদাহরণ। কাঠামোগত ইসলামবিদ্বেষ রোধে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
নেতৃদ্বয় অভিযোগ করেন, গত বছরের ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও কাঠামোগত ইসলামবিদ্বেষ এখনো রয়ে গেছে। এলজিবিটি ইস্যুসহ বেশ কিছু বিষয়ে ইসলামবিদ্বেষী তৎপরতা নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে, যা উদ্বেগজনক। গণঅভ্যুত্থান শুধু ফ্যাসিবাদ পতনের জন্য হয়নি, ইসলামবিদ্বেষ নির্মূল করাও এর অন্যতম লক্ষ্য ছিল বলে তারা মন্তব্য করেন।
হেফাজতের নেতারা আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ইসলামবিদ্বেষ ছড়াতে কায়েমি বাম-প্রগতিশীল গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে। সংখ্যালঘুদের অধিকারের ক্ষেত্রে তারা সরব হলেও মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব হলে নীরব থাকেন। এ ডাবল স্ট্যান্ডার্ডই কাঠামোগত ইসলামবিদ্বেষকে টিকিয়ে রেখেছে। একটি মানবিক, ধর্মপ্রাণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গঠনের স্বার্থে এ মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
















