সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

‘ইন্টারনেট একা একা বন্ধ হয়ে গেছে’ প্রদর্শনীতে হাসির খোরাক

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রাজধানীর ধানমন্ডির আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শুরু হয়েছে ছয় দিনের ব্যঙ্গ-প্রদর্শনী ‘বিদ্রুপে বিদ্রোহ’, যেখানে দর্শনার্থীদের সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রীদের মন্তব্যকে ঘিরে তৈরি হাস্যরসাত্মক উপস্থাপনাগুলো।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে প্রদর্শনী শুরু হয়, যা চলবে প্রতিদিন রাত ৮টা পর্যন্ত। শেষ দিন ৫ আগস্ট।

প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উঠে এসেছে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ৩৬ দিনের গণআন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের কিছু বক্তব্য ও উক্তি, যেগুলো সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের বিষয় হয়ে উঠেছিল।

এর মধ্যে রয়েছে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিতর্কিত উক্তি— “ইন্টারনেট একা একা বন্ধ হয়ে গেছে”। এছাড়া ‘শেখ হাসিনা পালায় না’, ‘স্বজন হারানোর বেদনা’, ‘সাপে কাটার বেদনা আপনার চেয়ে আর বেশি কে জানে’, ‘She has made us fly’— এমন একাধিক উক্তি ব্যঙ্গচিত্র, মিম ও ভিডিও ইনস্টলেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের মাঝে হাস্যরসের খোরাক জোগাচ্ছে।

প্রদর্শনীটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা ও স্যাটায়ার প্ল্যাটফর্ম ইয়ার্কি। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে এই প্রদর্শনী মূলত ব্যঙ্গ ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের চেতনা স্মরণ এবং পুনরুদ্ধার করার একটি প্রয়াস।

‘বিদ্রুপে বিদ্রোহ’-এ রয়েছে— ব্যঙ্গচিত্র ও পথচিত্রের সংরক্ষিত আর্কাইভ, আন্দোলনকালে তৈরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট, প্রতিবাদী গান ও কবিতা পাঠ, ভিডিও ইনস্টলেশন ও লাইভ পারফরম্যান্স, নাটক ‘নাটক কম করো পিও’, অংশগ্রহণমূলক ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন

আয়োজকদের ভাষায়, “ব্যঙ্গ সবসময়ই বঞ্চিতের হাতিয়ার। এটি ক্ষমতার অযৌক্তিকতাকে হাসির মাধ্যমে উন্মোচন করে।”

প্রদর্শনী সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এটি শুধুই একটি প্রদর্শনী নয়; বরং স্মরণ, প্রতিরোধ এবং রাজনৈতিক জীবনে ব্যঙ্গের ভূমিকা নিয়ে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে চায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

‘ইন্টারনেট একা একা বন্ধ হয়ে গেছে’ প্রদর্শনীতে হাসির খোরাক

আপডেট সময় : ১২:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

 

রাজধানীর ধানমন্ডির আলিয়ঁস ফ্রঁসেজে শুরু হয়েছে ছয় দিনের ব্যঙ্গ-প্রদর্শনী ‘বিদ্রুপে বিদ্রোহ’, যেখানে দর্শনার্থীদের সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও মন্ত্রীদের মন্তব্যকে ঘিরে তৈরি হাস্যরসাত্মক উপস্থাপনাগুলো।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে প্রদর্শনী শুরু হয়, যা চলবে প্রতিদিন রাত ৮টা পর্যন্ত। শেষ দিন ৫ আগস্ট।

প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে উঠে এসেছে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ৩৬ দিনের গণআন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের কিছু বক্তব্য ও উক্তি, যেগুলো সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের বিষয় হয়ে উঠেছিল।

এর মধ্যে রয়েছে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিতর্কিত উক্তি— “ইন্টারনেট একা একা বন্ধ হয়ে গেছে”। এছাড়া ‘শেখ হাসিনা পালায় না’, ‘স্বজন হারানোর বেদনা’, ‘সাপে কাটার বেদনা আপনার চেয়ে আর বেশি কে জানে’, ‘She has made us fly’— এমন একাধিক উক্তি ব্যঙ্গচিত্র, মিম ও ভিডিও ইনস্টলেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের মাঝে হাস্যরসের খোরাক জোগাচ্ছে।

প্রদর্শনীটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা ও স্যাটায়ার প্ল্যাটফর্ম ইয়ার্কি। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে এই প্রদর্শনী মূলত ব্যঙ্গ ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিরোধের চেতনা স্মরণ এবং পুনরুদ্ধার করার একটি প্রয়াস।

‘বিদ্রুপে বিদ্রোহ’-এ রয়েছে— ব্যঙ্গচিত্র ও পথচিত্রের সংরক্ষিত আর্কাইভ, আন্দোলনকালে তৈরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট, প্রতিবাদী গান ও কবিতা পাঠ, ভিডিও ইনস্টলেশন ও লাইভ পারফরম্যান্স, নাটক ‘নাটক কম করো পিও’, অংশগ্রহণমূলক ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশন

আয়োজকদের ভাষায়, “ব্যঙ্গ সবসময়ই বঞ্চিতের হাতিয়ার। এটি ক্ষমতার অযৌক্তিকতাকে হাসির মাধ্যমে উন্মোচন করে।”

প্রদর্শনী সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এটি শুধুই একটি প্রদর্শনী নয়; বরং স্মরণ, প্রতিরোধ এবং রাজনৈতিক জীবনে ব্যঙ্গের ভূমিকা নিয়ে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে চায়।