সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

ভারতে মদ্যপ পুলিশকর্তা পিষে মারল ২ মুসলিম শিশুকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৮৬ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

মদ্যপ অবস্থায় ৩ স্কুল পড়ুয়া মুসলিম শিক্ষার্থীর উপর গাড়ি চালিয়ে দেন পুলিশকর্মী। এরপর গাড়ি ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলেন।

স্কুল থেকে ফিরছিল ৩ শিশু। সেই সময় তাদের উপর গাড়ি চালিয়ে দিলেন এক পুলিশকর্মী। ঘটনাস্থলেই ২ পড়ুয়ার মৃত্যু। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি একজন। ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার পালওয়ালে।

মৃত শিশুদের বাবা শাহাবুদ্দিন জানান, স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল ৩ ভাই- অয়ন (৫), আহসান (৭) এবং অর্জন (৯)। তারা নুরিয়া মহল্লার বাসিন্দা। উতাওয়াদের বেসরকারি স্কুল গরিবা পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করত।

তিনি আরও জানান, অয়ন ও আহসান পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। ছুটির পর তারা স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় একটি পুলিশের গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে তাদের ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই অয়ন ও আহসানের মৃত্যু হয়। অর্জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মৃত দুই শিশুর লাশ নলহার মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সঙ্গে আহত অর্জনকে রোহতক পিজিআই হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গাড়ি রেখে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত পুলিশকর্মী পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা তাকে ঘিরে ফেলেন। এরপর স্থানীয় থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে।

শাহাবুদ্দিন জানান, অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর নাম নরেশ কুমার। তিনি হরিয়ানা পুলিশের হেড কনস্টেবল। শিশুদের বাবার অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় একটি নতুন গাড়ি চালাচ্ছিলেন অভিযুক্ত পুলিশকর্মী। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলায় তাদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। নিজের দোষ অস্বীকার করেন। বারবার পুলিশের ভয় দেখাচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন শাহাবুদ্দিন। শেষমেষ স্থানীয় থানার পুলিশকর্মীরা এসে তাকে আটক করেন।

সূত্র: ইটিভি ভারত-বাংলা

এসইউটি/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

ভারতে মদ্যপ পুলিশকর্তা পিষে মারল ২ মুসলিম শিশুকে

আপডেট সময় : ০২:২৯:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

মদ্যপ অবস্থায় ৩ স্কুল পড়ুয়া মুসলিম শিক্ষার্থীর উপর গাড়ি চালিয়ে দেন পুলিশকর্মী। এরপর গাড়ি ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলেন।

স্কুল থেকে ফিরছিল ৩ শিশু। সেই সময় তাদের উপর গাড়ি চালিয়ে দিলেন এক পুলিশকর্মী। ঘটনাস্থলেই ২ পড়ুয়ার মৃত্যু। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি একজন। ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার পালওয়ালে।

মৃত শিশুদের বাবা শাহাবুদ্দিন জানান, স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল ৩ ভাই- অয়ন (৫), আহসান (৭) এবং অর্জন (৯)। তারা নুরিয়া মহল্লার বাসিন্দা। উতাওয়াদের বেসরকারি স্কুল গরিবা পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করত।

তিনি আরও জানান, অয়ন ও আহসান পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত। ছুটির পর তারা স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার সময় একটি পুলিশের গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে তাদের ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই অয়ন ও আহসানের মৃত্যু হয়। অর্জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মৃত দুই শিশুর লাশ নলহার মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সঙ্গে আহত অর্জনকে রোহতক পিজিআই হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গাড়ি রেখে পালানোর চেষ্টা করেন অভিযুক্ত পুলিশকর্মী পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা তাকে ঘিরে ফেলেন। এরপর স্থানীয় থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে আটক করে।

শাহাবুদ্দিন জানান, অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর নাম নরেশ কুমার। তিনি হরিয়ানা পুলিশের হেড কনস্টেবল। শিশুদের বাবার অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় একটি নতুন গাড়ি চালাচ্ছিলেন অভিযুক্ত পুলিশকর্মী। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলায় তাদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। নিজের দোষ অস্বীকার করেন। বারবার পুলিশের ভয় দেখাচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ করেন শাহাবুদ্দিন। শেষমেষ স্থানীয় থানার পুলিশকর্মীরা এসে তাকে আটক করেন।

সূত্র: ইটিভি ভারত-বাংলা

এসইউটি/