সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

কাতার ও ফিলিস্তিনের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানাল বাংলাদেশ

ইনসাইড ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ১২:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৪ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কাতারে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কাতারের রাজধানী দোহায় আরব-মুসলিম শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এ নিন্দার কথা তুলে ধরেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। একইসঙ্গে কাতার ও ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের অটল সমর্থনের কথা জানিয়েছেন তিনি।

তৌহিদ হোসেন বলেন, কাতারের সার্বভৌম ভূখণ্ডে অকারণে ও অযৌক্তিকভাবে ইসরায়েলি আক্রমণ কেবল কাতারের ওপর আক্রমণ নয়, বরং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর মর্যাদার প্রতি অবমাননা। বাংলাদেশ এই আগ্রাসনকে ইসরায়েলের একটি বেপরোয়া অভিযানের অংশ হিসেবে দেখে, যা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং বারবার জাতিসংঘের প্রস্তাবগুলোকে অবজ্ঞা করে চলেছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ইসরায়েলি উসকানি ও আগ্রাসন রোধে সব ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বিত কূটনৈতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সম্মিলিতভাবে ইসরায়েলকে এই নগ্ন আগ্রাসনের জন্য জবাবদিহি করতে হবে এবং অবিলম্বে এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধের দাবি জানাতে হবে।

শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। ওআইসির মহাসচিব হুসাইন ইব্রাহিম তাহা ও আরব লীগের মহাসচিব স্বাগত বক্তব্য দেন। তারা মুসলিম উম্মাহর সামগ্রিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সনদের উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেন।

সম্মেলনে ২৪ জন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা। নেতারা ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের ওপর ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং মুসলিম দেশগুলোর নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং মর্যাদার প্রতি সর্বাত্মক সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।

তারা গাজায় ইসরায়েলি দখলদারত্ব অবিলম্বে বন্ধ করার এবং পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী করে দ্বিরাষ্ট্রীয় ফরমুলা অনুসরণ করে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

নেতারা গাজার জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্য ও খাদ্য সরবরাহের নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকারেরও আহ্বান জানান, কারণ ফিলিস্তিনি নারী-পুরুষ অনাহারে মারা যাচ্ছে। নেতারা দ্ব্যর্থহীনভাবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেন, যাতে ইসরায়েলি নেতারা একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন ও ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানোর জন্য জবাবদিহি করতে পারেন।


এসইউটি/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

কাতার ও ফিলিস্তিনের প্রতি দৃঢ় সমর্থন জানাল বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১২:০১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কাতারে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কাতারের রাজধানী দোহায় আরব-মুসলিম শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এ নিন্দার কথা তুলে ধরেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। একইসঙ্গে কাতার ও ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের অটল সমর্থনের কথা জানিয়েছেন তিনি।

তৌহিদ হোসেন বলেন, কাতারের সার্বভৌম ভূখণ্ডে অকারণে ও অযৌক্তিকভাবে ইসরায়েলি আক্রমণ কেবল কাতারের ওপর আক্রমণ নয়, বরং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর মর্যাদার প্রতি অবমাননা। বাংলাদেশ এই আগ্রাসনকে ইসরায়েলের একটি বেপরোয়া অভিযানের অংশ হিসেবে দেখে, যা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং বারবার জাতিসংঘের প্রস্তাবগুলোকে অবজ্ঞা করে চলেছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ইসরায়েলি উসকানি ও আগ্রাসন রোধে সব ওআইসি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বিত কূটনৈতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সম্মিলিতভাবে ইসরায়েলকে এই নগ্ন আগ্রাসনের জন্য জবাবদিহি করতে হবে এবং অবিলম্বে এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধের দাবি জানাতে হবে।

শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। ওআইসির মহাসচিব হুসাইন ইব্রাহিম তাহা ও আরব লীগের মহাসচিব স্বাগত বক্তব্য দেন। তারা মুসলিম উম্মাহর সামগ্রিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সনদের উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেন।

সম্মেলনে ২৪ জন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান উপস্থিত ছিলেন এবং বাকি দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অথবা উচ্চপদস্থ ব্যক্তিরা। নেতারা ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের ওপর ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানান এবং মুসলিম দেশগুলোর নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং মর্যাদার প্রতি সর্বাত্মক সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।

তারা গাজায় ইসরায়েলি দখলদারত্ব অবিলম্বে বন্ধ করার এবং পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী করে দ্বিরাষ্ট্রীয় ফরমুলা অনুসরণ করে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

নেতারা গাজার জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক সাহায্য ও খাদ্য সরবরাহের নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশাধিকারেরও আহ্বান জানান, কারণ ফিলিস্তিনি নারী-পুরুষ অনাহারে মারা যাচ্ছে। নেতারা দ্ব্যর্থহীনভাবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের হস্তক্ষেপ দাবি করেন, যাতে ইসরায়েলি নেতারা একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন ও ফিলিস্তিনে গণহত্যা চালানোর জন্য জবাবদিহি করতে পারেন।


এসইউটি/