সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

বাঁকখালী নদী অবশ্যই অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

ইনসাইড ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী অবশ্যই অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নগর সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, বাঁকখালী নদীতে উচ্ছেদে বাধা দিল কারা, এতে কারা খুশি হলো—তা খুঁজে বের করতে হবে। কেন সেখানে লোকজন জড়ো করে বাধা দেওয়া হলো সেটাও দেখতে হবে। পাঁচ দিনের উচ্ছেদ অভিযানের তৃতীয় দিনে বাধা দেওয়া হয়েছে। এখন অভিযান বন্ধ থাকলেও অবশ্যই বাকখালী নদী অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে।

বাকখালী নদী অবশ্যই অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

তিনি আরও বলেন, কারা এই নদী দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে এবং কেন গত ১৫ বছরে বাধা দেওয়া হয়নি তা অনুসন্ধান করা হবে। কোন রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় এ দখল হয়েছে সেটাও বের করতে হবে।

উপদেষ্টা জানান, দেশের দূষণ ও দখল হওয়া নদীগুলোর তালিকা করছে নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট। এজন্য তাদের গবেষণায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা আগে ছিল মাত্র ৪৫ লাখ টাকা। জনবল থাকা সত্ত্বেও অর্থের অভাবে তারা কার্যকর গবেষণা করতে পারেনি।

তিনি বলেন, হাওরের তালিকা ও সুরক্ষা প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে চলেছে। চলনবিলের চারটি মৌজার সব ভূমির রেকর্ড সম্পন্ন হয়েছে। আড়িয়াল বিলের সীমানা নির্ধারণ ও বিলাইবিলের কাজও চলছে।

ঢাকার জলাশয় উদ্ধারে জেলা প্রশাসককে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, খাল খননের কারণে এবার জলাবদ্ধতা হয়নি। ব্লু নেটওয়ার্কের অধীনে ৫টি নদী ও ৪০টি খালের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১৩টির ওপর প্রকল্প চলমান। ঢাকাকে বাঁচাতে জলাশয় উদ্ধার ছাড়া বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিতোষ পাল, স্থপতি ইন্সটিটিউটের সাবেক নগরায়ন ও পরিবেশ সম্পাদক সুজাউল ইসলাম খান, বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল্লাহ এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়ুগেস প্রানাধাং প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ।

এসইউটি/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

বাঁকখালী নদী অবশ্যই অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৪:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী অবশ্যই অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ ও বন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নগর সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি বলেন, বাঁকখালী নদীতে উচ্ছেদে বাধা দিল কারা, এতে কারা খুশি হলো—তা খুঁজে বের করতে হবে। কেন সেখানে লোকজন জড়ো করে বাধা দেওয়া হলো সেটাও দেখতে হবে। পাঁচ দিনের উচ্ছেদ অভিযানের তৃতীয় দিনে বাধা দেওয়া হয়েছে। এখন অভিযান বন্ধ থাকলেও অবশ্যই বাকখালী নদী অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে।

বাকখালী নদী অবশ্যই অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

তিনি আরও বলেন, কারা এই নদী দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে এবং কেন গত ১৫ বছরে বাধা দেওয়া হয়নি তা অনুসন্ধান করা হবে। কোন রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় এ দখল হয়েছে সেটাও বের করতে হবে।

উপদেষ্টা জানান, দেশের দূষণ ও দখল হওয়া নদীগুলোর তালিকা করছে নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট। এজন্য তাদের গবেষণায় ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা আগে ছিল মাত্র ৪৫ লাখ টাকা। জনবল থাকা সত্ত্বেও অর্থের অভাবে তারা কার্যকর গবেষণা করতে পারেনি।

তিনি বলেন, হাওরের তালিকা ও সুরক্ষা প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে চলেছে। চলনবিলের চারটি মৌজার সব ভূমির রেকর্ড সম্পন্ন হয়েছে। আড়িয়াল বিলের সীমানা নির্ধারণ ও বিলাইবিলের কাজও চলছে।

ঢাকার জলাশয় উদ্ধারে জেলা প্রশাসককে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, খাল খননের কারণে এবার জলাবদ্ধতা হয়নি। ব্লু নেটওয়ার্কের অধীনে ৫টি নদী ও ৪০টি খালের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১৩টির ওপর প্রকল্প চলমান। ঢাকাকে বাঁচাতে জলাশয় উদ্ধার ছাড়া বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেশ রূপান্তর সম্পাদক অমিতোষ পাল, স্থপতি ইন্সটিটিউটের সাবেক নগরায়ন ও পরিবেশ সম্পাদক সুজাউল ইসলাম খান, বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্রের ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল্লাহ এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়ুগেস প্রানাধাং প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মতিন আব্দুল্লাহ।

এসইউটি/