সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

যদি জুলাই-আগস্ট না হতো, আরেকটা মাস আন্দোলন করে সরকারকে ফেলে দিতো বিএনপি: মির্জা আব্বাস

আইবি নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫ ১০০ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নির্বাচন পেছানোর পেছনে সরকার পরিকল্পিত নাটক সাজাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, যত চেষ্টাই হোক, শেষ পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকেই নির্বাচন আদায় করবে বিএনপি।

সোমবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে যুবদল আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও আমার না বলা কথা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, “আজকে একটা ঘটনা শুনেছি—একজন মেজর দেশে বসে চক্রান্ত করছে অঘটন ঘটাতে। এসব হচ্ছে উদ্দেশ্যমূলক নাটক, যাতে নির্বাচন পেছানো যায়। দেশের মানুষ ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করছে নির্বাচনের জন্য। যতই চক্রান্ত হোক, বিএনপি সরকারের কাছ থেকেই নির্বাচন আদায় করে ছাড়বে।”

তিনি বলেন, “সতেরো বছর বিএনপি গাছে পানি দিয়েছে, আর ফল খাচ্ছে অন্যরা। এখন বলা হচ্ছে বিএনপি কিছুই না। সরকারে না গেলেও বিএনপিকে স্বৈরাচার বলা হচ্ছে।”

জুলাই-আগস্ট না হলে আরও একমাস আন্দোলনে সরকার পতনের সম্ভাবনা ছিল বলে দাবি করে তিনি বলেন, “১৭ বছর কি বিএনপি আন্দোলন করেনি? যদি জুলাই-আগস্ট না হতো, আরেকটা মাসে হয়তো আন্দোলন করে বিএনপি সরকারকে ফেলে দিতো। ২০২৩ সালের অক্টোবরে মহাসমাবেশেই আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা চক্রান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি। সেদিনের জনসমাবেশে যদি সরকার পতনের ঘোষণা দেয়া হতো, তাহলে এই সরকার থাকতো না।”

দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, “প্রয়োজনে আরও ১৭ বছর আন্দোলন করবে বিএনপি। কোনো স্বৈরশাসককে প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়া হবে না। কিছু বাচ্চা ছেলে-মেয়ে মনে করে তারা যা বলবে, সেটাই দেশের মানুষ মানবে। তারা দেশের মানুষ ও নেতৃত্বকে তাচ্ছিল্য করে, নিজেরাই নিজেদের নেতা ভাবে। ক্ষমতার লোভেই তারা ছাড়তে চায় না।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

যদি জুলাই-আগস্ট না হতো, আরেকটা মাস আন্দোলন করে সরকারকে ফেলে দিতো বিএনপি: মির্জা আব্বাস

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

 

নির্বাচন পেছানোর পেছনে সরকার পরিকল্পিত নাটক সাজাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, যত চেষ্টাই হোক, শেষ পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকেই নির্বাচন আদায় করবে বিএনপি।

সোমবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে যুবদল আয়োজিত ‘জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও আমার না বলা কথা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, “আজকে একটা ঘটনা শুনেছি—একজন মেজর দেশে বসে চক্রান্ত করছে অঘটন ঘটাতে। এসব হচ্ছে উদ্দেশ্যমূলক নাটক, যাতে নির্বাচন পেছানো যায়। দেশের মানুষ ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করছে নির্বাচনের জন্য। যতই চক্রান্ত হোক, বিএনপি সরকারের কাছ থেকেই নির্বাচন আদায় করে ছাড়বে।”

তিনি বলেন, “সতেরো বছর বিএনপি গাছে পানি দিয়েছে, আর ফল খাচ্ছে অন্যরা। এখন বলা হচ্ছে বিএনপি কিছুই না। সরকারে না গেলেও বিএনপিকে স্বৈরাচার বলা হচ্ছে।”

জুলাই-আগস্ট না হলে আরও একমাস আন্দোলনে সরকার পতনের সম্ভাবনা ছিল বলে দাবি করে তিনি বলেন, “১৭ বছর কি বিএনপি আন্দোলন করেনি? যদি জুলাই-আগস্ট না হতো, আরেকটা মাসে হয়তো আন্দোলন করে বিএনপি সরকারকে ফেলে দিতো। ২০২৩ সালের অক্টোবরে মহাসমাবেশেই আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা চক্রান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি। সেদিনের জনসমাবেশে যদি সরকার পতনের ঘোষণা দেয়া হতো, তাহলে এই সরকার থাকতো না।”

দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, “প্রয়োজনে আরও ১৭ বছর আন্দোলন করবে বিএনপি। কোনো স্বৈরশাসককে প্রতিষ্ঠিত হতে দেয়া হবে না। কিছু বাচ্চা ছেলে-মেয়ে মনে করে তারা যা বলবে, সেটাই দেশের মানুষ মানবে। তারা দেশের মানুষ ও নেতৃত্বকে তাচ্ছিল্য করে, নিজেরাই নিজেদের নেতা ভাবে। ক্ষমতার লোভেই তারা ছাড়তে চায় না।”