সংবিধান সংশোধন জটিল করতেই কেউ কেউ পিআর প্রস্তাব দিচ্ছে: সালাহউদ্দিন
- আপডেট সময় : ১২:১৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫ ৮৯ বার পড়া হয়েছে

প্রস্তাবিত উচ্চকক্ষ গঠনে প্রোপরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতির বিরোধিতা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়াকে জটিল করতেই কেউ কেউ পিআর পদ্ধতির কথা বলছেন।”
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন বলেন, “উচ্চকক্ষ বিএনপিরই প্রস্তাব—আমাদের ৩১ দফা প্রস্তাবনায় বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে আমরা এমন একটি উচ্চকক্ষ চাই, যা হবে সমন্বিত, সমৃদ্ধ এবং জাতির বিশিষ্টজনদের নিয়ে গঠিত। এটি নির্বাচিত নিম্নকক্ষের সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”
সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন কেবলমাত্র নির্বাচিত প্রতিনিধি। উচ্চকক্ষ আইন পাসের আগে পর্যালোচনার সুযোগ রাখবে, তবে সংবিধান সংশোধনের এখতিয়ার থাকবে শুধুই নির্বাচিত সদস্যদের হাতে।”
পিআর পদ্ধতির বিরোধিতার কারণ ব্যাখ্যা করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “কিছু ব্যক্তি এই প্রক্রিয়াকে অনির্বাচিত একটি কাঠামোর দিকে ঠেলে দিতে চান। তাদের প্রস্তাব রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবকেই নির্দেশ করে।”
বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে কর্ম কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক, ন্যায়পালসহ অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, “বিদ্যমান আইনেই এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ আরও শক্তিশালী করা সম্ভব। আমরা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ব্যবস্থাকেও সমর্থন করি।”
পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) নিয়েও বিএনপির মত তুলে ধরে সালাহউদ্দিন বলেন, “পিএসসির দুর্নীতির মূল জায়গা ছিল ৫৬ শতাংশ কোটা। ভাইভায় নম্বর বেশি রাখার সুযোগ থেকেই দুর্নীতি বাড়ে। এ বিষয়ে আমরা বয়সসীমা না রাখার পক্ষেও মত দিয়েছি।”
জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা জুলাই ঘোষণাপত্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছি। এটি জাতীয় সনদের চতুর্থ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে আমরা আশাবাদী। এতে প্রধান উপদেষ্টাসহ সব রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষরের মাধ্যমে একটি সর্বজনীন বৈধতা প্রতিষ্ঠিত হবে।”
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে তিনি বলেন, “উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের সদস্যদের অংশগ্রহণে গোপন ব্যালটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে সবাই একমত।”













