১০০ আসনের উচ্চকক্ষ গঠনে পিআর পদ্ধতির সিদ্ধান্ত, জানাল ঐকমত্য কমিশন
- আপডেট সময় : ০৭:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে

আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ গঠনের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের দ্বিতীয় ধাপের ২৩তম দিনের মধ্যাহ্ন বিরতির পর এ সিদ্ধান্তের কথা জানান কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য থাকায় উচ্চকক্ষে সদস্য মনোনয়নের পদ্ধতি নির্ধারণের দায়িত্ব কমিশনের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছিল। সেই দায়িত্ব পালনে পিআর পদ্ধতিই চূড়ান্ত করেছে কমিশন।
কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চকক্ষের নিজস্ব আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে না। অর্থবিল ছাড়া অন্যান্য সব বিল উচ্চকক্ষে উপস্থাপন করতে হবে। বিল অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের জন্য এক মাসের সময়সীমা থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে বিলটি অনুমোদিত বলেই গণ্য হবে।
উচ্চকক্ষ কোনো বিল প্রত্যাখ্যান করলে তা সংশোধনের সুপারিশসহ নিম্নকক্ষে ফেরত পাঠানো হবে। নিম্নকক্ষ সেই সুপারিশ আংশিক বা সম্পূর্ণ গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে। দুই কক্ষেই পাস হওয়া বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে।
উচ্চকক্ষ নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোনয়ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে একসঙ্গে ঘোষণা করতে হবে। সেখানে নারী প্রার্থীর জন্য ১০ শতাংশ কোটা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তবে এই পদ্ধতি নিয়ে দ্বিমত জানিয়েছে বিএনপি, লেবার পার্টি, এনডিএম, ১২-দলীয় জোট ও জাতীয়তাবাদী জোট। দুপুরের বিরতির আগে এ জোটগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পিআর পদ্ধতিতে হলে তারা উচ্চকক্ষ চায় না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “পিআর পদ্ধতি ও উচ্চকক্ষের দায়িত্ব ও কাঠামোর বিষয়ে আমাদের ভিন্নমত রয়েছে। সেই ভিন্নমত লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ থাকলে আমরা চূড়ান্ত প্রস্তাবে সই করতে পারি।”
সিপিবি, বাসদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও আমজনতার দলও উচ্চকক্ষের বিপক্ষে মত দিয়েছে। নাগরিক ঐক্যের পক্ষ থেকে বলা হয়, আইন প্রণয়নের ক্ষমতা না থাকলে উচ্চকক্ষের প্রয়োজন তারা দেখেন না।















