চাঁদাবাজদের প্রটেকশনে যারা থাকে, তারাও ভাগিদার: সারজিস আলম
- আপডেট সময় : ০৭:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫ ৮৭ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজি ও বিচার বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, “চাঁদাবাজের পরিচয় একটাই—সে চাঁদাবাজ। কে কোন দলের, কে কত প্রভাবশালী—এসব কোনো অজুহাত নয়। যিনি চাঁদাবাজদের প্রটেকশন দেওয়ার চেষ্টা করেন, তিনি চাঁদার ভাগিদার হিসেবে বিবেচিত হবেন।”
মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে এনসিপির পদযাত্রা শেষে পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, “’২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে প্রশাসন, পুলিশ, অন্যান্য বাহিনীকে দেশের জনগণের পক্ষে দেখতে চাই। কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাবাধীন প্রশাসন আর চাই না। মিডিয়াকেও আর কোনো ব্যক্তি বা দলের দালালি করতে দেওয়া হবে না। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি, কে কার হয়ে কাজ করছে।”
তিনি অভিযোগ করেন, “শহীদ মারুফ হত্যার বিচারে প্রশাসনের কার্যকর কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। টাঙ্গাইলের প্রশাসনের কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বিচার প্রক্রিয়াকে থামিয়ে মামলা বাণিজ্যে নেমেছে। কারা এতে যুক্ত, আমরা চিনে রাখছি।”
টাঙ্গাইলের অর্থনৈতিক অবস্থা ও ঐতিহ্য প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, “বছরের পর বছর পছন্দের কিছু জেলা বাদ দিয়ে বাকি এলাকাগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। যমুনা পাড়ের মানুষের জন্য বরাদ্দ আসেনি। যা এসেছে, তা লুটপাট হয়েছে। পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে টাঙ্গাইলের তাঁতশিল্প আজ ধ্বংসের পথে। ভাসানী হলকে কেন্দ্র করে যেখানে ঐতিহ্য ছড়ানোর কথা ছিল, সেই হলকে বানানো হয়েছে মাদকসেবীদের আড্ডাখানা।”
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা, সিনিয়র সদস্যসচিব সারোয়ার নিভা ও ডা. তাজনুভা জাবিন প্রমুখ।













