ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয়ে গুলশানে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, নেতৃত্বে বহিষ্কৃত ছাত্রনেতা
- আপডেট সময় : ০৭:৪০:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর গুলশানে ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) এই চক্রের নেতৃত্বে ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় পাঁচজনকে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে পাঠানো প্রতিবেদনে বলেন, এই গ্রুপটি ভয়ভীতি ও গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়ে টাকার দাবি করত।
গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন হলেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) ইব্রাহীম হোসেন মুন্না, সদস্য মো. সাকাদাউন সিয়াম, সাদমান সাদাব, গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের আহ্বায়ক সদস্য (বহিষ্কৃত) আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান (রিয়াদ) এবং বাড্ডা থানা শাখার সদস্য (বহিষ্কৃত) ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর।
তদন্ত কর্মকর্তা প্রথম চারজনের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরকে আটক রাখার পৃথক আবেদন জানান। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ চক্রটি গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন বাসায় গিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করত।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা মামলার বাদীর কাছ থেকেও ১০ লাখ টাকা আদায় করেছে এবং ওই টাকা উদ্ধারের জন্য রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমান চার আসামিকে সাত দিন করে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।














