সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

সারজিস আলম

“সকল উপদেষ্টার সম্মিলিত পরিদর্শনের চেয়েও জুলাই আহতদের দেখতে সেনাপ্রধানের ভিজিট বেশি”

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:২২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আ’হ’ত ও শহীদদের পুনর্বাসন, চিকিৎসা এবং আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমে সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামানের নিরব, ধারাবাহিক ও গভীর অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

 

রোববার (২১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি লেখেন—

 

“কয়েকটা আনপপুলার তথ্য দেই !

 

১. ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আজকে পর্যন্ত কিছু ব্যতিক্রম বাদে প্রত্যেক শনিবার সেনাপ্রধান সিএমএইচে গিয়েছেন সেখানে ভর্তি থাকা জুলাই আহতদেরকে দেখতে। যেটা সকল উপদেষ্টাদের মোট ভিজিট কম্বাইন্ড করলে তার চেয়ে বেশি হবে।

২. সবচেয়ে সিরিয়াস আহতদের কোয়ালিটিফুল ট্রিটমেন্ট নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তি প্রতি সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ঢাকা সিএমএইচে।

৩. আহত এবং শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পর প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধান।”

 

জুলাই আন্দোলনে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী আহত হন এবং অনেকেই শহীদ হন। তখন থেকেই সরকার, বিভিন্ন সংস্থা ও সামাজিক সংগঠনগুলোর পাশাপাশি সেনাবাহিনীও সক্রিয়ভাবে আহতদের সহায়তায় এগিয়ে আসে। তবে সেনাপ্রধানের প্রতি সপ্তাহে সিএমএইচ পরিদর্শনের মতো নিয়মিত এবং নিবেদিত উপস্থিতি সম্পর্কে এতদিন গণমাধ্যমে তেমনভাবে আলোচনা হয়নি।

সারজিস আলমের মতে, ব্যক্তিগত স্তরে সেনাপ্রধানের এই নিয়মিত আগ্রহ এবং চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়ায় তার সম্পৃক্ততা, পুরো সেনাবাহিনীর ভূমিকাকেই অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তার ভাষায়, “সকল উপদেষ্টার সম্মিলিত পরিদর্শনের চেয়েও সেনাপ্রধানের ভিজিট বেশি।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

সারজিস আলম

“সকল উপদেষ্টার সম্মিলিত পরিদর্শনের চেয়েও জুলাই আহতদের দেখতে সেনাপ্রধানের ভিজিট বেশি”

আপডেট সময় : ০১:২২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

 

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আ’হ’ত ও শহীদদের পুনর্বাসন, চিকিৎসা এবং আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমে সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামানের নিরব, ধারাবাহিক ও গভীর অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

 

রোববার (২১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিনি লেখেন—

 

“কয়েকটা আনপপুলার তথ্য দেই !

 

১. ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আজকে পর্যন্ত কিছু ব্যতিক্রম বাদে প্রত্যেক শনিবার সেনাপ্রধান সিএমএইচে গিয়েছেন সেখানে ভর্তি থাকা জুলাই আহতদেরকে দেখতে। যেটা সকল উপদেষ্টাদের মোট ভিজিট কম্বাইন্ড করলে তার চেয়ে বেশি হবে।

২. সবচেয়ে সিরিয়াস আহতদের কোয়ালিটিফুল ট্রিটমেন্ট নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা বাবদ ব্যক্তি প্রতি সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে ঢাকা সিএমএইচে।

৩. আহত এবং শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পর প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনাপ্রধান।”

 

জুলাই আন্দোলনে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী আহত হন এবং অনেকেই শহীদ হন। তখন থেকেই সরকার, বিভিন্ন সংস্থা ও সামাজিক সংগঠনগুলোর পাশাপাশি সেনাবাহিনীও সক্রিয়ভাবে আহতদের সহায়তায় এগিয়ে আসে। তবে সেনাপ্রধানের প্রতি সপ্তাহে সিএমএইচ পরিদর্শনের মতো নিয়মিত এবং নিবেদিত উপস্থিতি সম্পর্কে এতদিন গণমাধ্যমে তেমনভাবে আলোচনা হয়নি।

সারজিস আলমের মতে, ব্যক্তিগত স্তরে সেনাপ্রধানের এই নিয়মিত আগ্রহ এবং চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিতকরণ প্রক্রিয়ায় তার সম্পৃক্ততা, পুরো সেনাবাহিনীর ভূমিকাকেই অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তার ভাষায়, “সকল উপদেষ্টার সম্মিলিত পরিদর্শনের চেয়েও সেনাপ্রধানের ভিজিট বেশি।”