সহায়তা চেয়ে প্রধান উপদেষ্টার স্ট্যাটাস মুছে ফেলার ঘটনায় কটাক্ষের ঝড়
- আপডেট সময় : ০৭:০০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫ ১৬২ বার পড়া হয়েছে

উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত ও আহতদের সহায়তায় অর্থ সংগ্রহের আহ্বান জানিয়ে দেওয়া একটি স্ট্যাটাস মুছে ফেলাকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও কটাক্ষ।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর ২টার কিছু পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে বলা হয়, মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করতে ইচ্ছুকরা প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে অর্থ পাঠাতে পারবেন। পোস্টে প্রয়োজনীয় ব্যাংক তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে অপ্রত্যাশিতভাবে পোস্টটি প্রকাশের মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যেই তা ফেসবুক পেজ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। এরপর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক সমালোচনা, কটাক্ষ ও প্রশ্নবাণ।
নেটিজেনদের ক্ষোভ ও ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া
অনেক ব্যবহারকারী পোস্টটি মুছে ফেলার কারণ জানতে চেয়ে সরকারের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, সরকার সংকটময় মুহূর্তেও বারবার ভুল সংকেত দিচ্ছে।
নকীব মাহমুদ নামে একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, “শুয়োরদের লজ্জা নেই! আসছে ভিক্ষা চাইতে!”
আশরাফ আকবার চৌধুরী কটাক্ষ করেন, “এনজিও সরকার বলে কথা।”
আব্দুস সামাদ আজিজ ক্ষোভের সুরে বলেন, “পোস্টটা ডিলিট করে ফেলল! টাকা পাঠানোর সুযোগও পেলাম না! এই আফসোস থেকে যাবে!”
জুবায়ের বিন ফরিদ ধারণা দেন, “পর্যাপ্ত অনুদান আসার পর পোস্টটি ডিলিট করা হয়েছে।”
আব্দুস সামাদ আমিন মন্তব্য করেন, “আগে সরকারকে ভয় পেত, এখন সরকার নিজেই ভয় পায়। পতিতার জন্য বাজেট হয়, দগ্ধদের জন্য নয়। বাহ! বাংলাদেশ! বাহ!”
মুহাম্মাদ আলিফ লেখেন, “আগে ‘সরকারের ভয়ে’ মানুষ পোস্ট ডিলিট করতো, এখন ‘মানুষের ভয়ে’ সরকার পোস্ট ডিলিট করে!”
কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি কর্তৃপক্ষ
সরকারি বা উপদেষ্টার দপ্তরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে।
নানামুখী আলোচনায় উঠে এসেছে, হয়তো বিতর্ক এড়াতেই পোস্টটি দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে অনেকে মনে করছেন, এমন পদক্ষেপ সরকারের সংকটকালীন যোগাযোগ ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।















