সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

যেভাবে বন্ধ হতে পারে গাজার গণহত্যা, জানালেন জেসিন্ডা আর্ডার্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ০৭:৫০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজায় চলমান নৃশংসতা ও গণহত্যা বন্ধে এখনও একটি পথ রয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনকে বেশিরভাগ দেশ কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান সেই পথের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের সামরিক সহায়তা বা সহযোগিতা বন্ধ করতে হবে। মানবিক সাহায্য দ্রুত পৌঁছাতে হবে গাজার ক্ষুধার্ত ও অবরুদ্ধ মানুষের কাছে। আহত, অপুষ্ট এবং গর্ভবতী ও নবজাতক মায়েদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনকে সামনে রেখে আর্ডার্ন বলেন, বিশ্ব নেতাদের প্রতি আমাদের আহ্বান জানাতে হবে—তারা যেন এসব মানবিক সংকটে কার্যকর পদক্ষেপ নেন, তা সেটা ইউক্রেনের যুদ্ধ হোক বা জলবায়ু সংকটজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শুরু করা উচিত গাজা থেকে।

জেসিন্ডা আর্ডার্ন বলেন, আমরা একটি মানবিক সংকটে ভরা পৃথিবীতে বাস করলেও আমাদের উচিত সংখ্যার মাঝে মানবিকতা হারিয়ে না ফেলা।

২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের আগে তিনি প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালন করেন এবং কোভিড-১৯ মহামারির সময় তার প্রশংসনীয় নেতৃত্বের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় যে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে, তাতে এখন পর্যন্ত ৬৫,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন—যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

এই ভয়াবহ আগ্রাসনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন এবং মারাত্মক দুর্ভিক্ষে অন্তত ৪৩৫ জন মারা গেছেন, যাদের মধ্যে ১৪৭ জন শিশু।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এসইউটি/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

যেভাবে বন্ধ হতে পারে গাজার গণহত্যা, জানালেন জেসিন্ডা আর্ডার্ন

আপডেট সময় : ০৭:৫০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজায় চলমান নৃশংসতা ও গণহত্যা বন্ধে এখনও একটি পথ রয়েছে বলে জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনকে বেশিরভাগ দেশ কর্তৃক স্বীকৃতি প্রদান সেই পথের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি বলেন, যেকোনো ধরনের সামরিক সহায়তা বা সহযোগিতা বন্ধ করতে হবে। মানবিক সাহায্য দ্রুত পৌঁছাতে হবে গাজার ক্ষুধার্ত ও অবরুদ্ধ মানুষের কাছে। আহত, অপুষ্ট এবং গর্ভবতী ও নবজাতক মায়েদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনকে সামনে রেখে আর্ডার্ন বলেন, বিশ্ব নেতাদের প্রতি আমাদের আহ্বান জানাতে হবে—তারা যেন এসব মানবিক সংকটে কার্যকর পদক্ষেপ নেন, তা সেটা ইউক্রেনের যুদ্ধ হোক বা জলবায়ু সংকটজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

তিনি আরও বলেন, আমাদের শুরু করা উচিত গাজা থেকে।

জেসিন্ডা আর্ডার্ন বলেন, আমরা একটি মানবিক সংকটে ভরা পৃথিবীতে বাস করলেও আমাদের উচিত সংখ্যার মাঝে মানবিকতা হারিয়ে না ফেলা।

২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের আগে তিনি প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালন করেন এবং কোভিড-১৯ মহামারির সময় তার প্রশংসনীয় নেতৃত্বের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় যে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে, তাতে এখন পর্যন্ত ৬৫,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন—যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

এই ভয়াবহ আগ্রাসনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছেন এবং মারাত্মক দুর্ভিক্ষে অন্তত ৪৩৫ জন মারা গেছেন, যাদের মধ্যে ১৪৭ জন শিশু।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

এসইউটি/