সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

গোপালগঞ্জ থেকে ফ্যাসিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গোপালগঞ্জে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ ওপর হামলা এবং ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনের অনুমতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, “গোপালগঞ্জ থেকে ফ্যাসিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন রোধে আমূল সংস্কার প্রয়োজন। প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে অতীতের ভয়াবহ অবস্থায় ফিরে যেতে হবে।”

শুক্রবার (১৮ জুলাই) বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। বক্তব্য দেন দলের শীর্ষ নেতারা—মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, আলহাজ্ব আব্দুল আউয়াল মজুমদার, মুফতী ফরিদুল ইসলাম, মুফতী মোঃ মাছউদুর রহমান, মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইন ও মাহবুবুর রহমান নাহিয়ান।

মাওলানা ইউনুস বলেন, “জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবার এখনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। আহতরা চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। ব্যবসা ও পরিবহন খাত চাঁদাবাজদের হাতে জিম্মি। এমন বাংলাদেশের জন্য জনগণ জীবন বাজি রাখেনি।”

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যখন অফিস স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়, তখনই আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়। এসব ঘটনার হোতাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।”

মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, “আমীর সাহেব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলায় একটি মহল অশালীন গালিগালাজ করছে—তাদের আচরণেই বোঝা যায়, তারাই চাঁদাবাজদের রক্ষক। গোপালগঞ্জে হামলার দায় প্রশাসনের।” তিনি আরও বলেন, “জাতিসংঘ চাইলে আগে ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তানে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করুক।”

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ফজলে বারী মাসউদ বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আবারও রক্তপিপাসু হয়ে উঠেছে। গোপালগঞ্জে হামলা তার প্রমাণ। প্রশাসনসহ যেখানেই আওয়ামী ঘাঁটি, সেখানেই বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মিছিল বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে পল্টন, বিজয়নগর হয়ে হাউজ বিল্ডিং পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

গোপালগঞ্জ থেকে ফ্যাসিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

 

গোপালগঞ্জে ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ ওপর হামলা এবং ঢাকায় জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনের অনুমতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেছেন, “গোপালগঞ্জ থেকে ফ্যাসিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন রোধে আমূল সংস্কার প্রয়োজন। প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন সংস্কার না করলে অতীতের ভয়াবহ অবস্থায় ফিরে যেতে হবে।”

শুক্রবার (১৮ জুলাই) বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। বক্তব্য দেন দলের শীর্ষ নেতারা—মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, আলহাজ্ব আব্দুল আউয়াল মজুমদার, মুফতী ফরিদুল ইসলাম, মুফতী মোঃ মাছউদুর রহমান, মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসাইন ও মাহবুবুর রহমান নাহিয়ান।

মাওলানা ইউনুস বলেন, “জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবার এখনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। আহতরা চিকিৎসার অভাবে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। ব্যবসা ও পরিবহন খাত চাঁদাবাজদের হাতে জিম্মি। এমন বাংলাদেশের জন্য জনগণ জীবন বাজি রাখেনি।”

জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যখন অফিস স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়, তখনই আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়। এসব ঘটনার হোতাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।”

মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, “আমীর সাহেব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলায় একটি মহল অশালীন গালিগালাজ করছে—তাদের আচরণেই বোঝা যায়, তারাই চাঁদাবাজদের রক্ষক। গোপালগঞ্জে হামলার দায় প্রশাসনের।” তিনি আরও বলেন, “জাতিসংঘ চাইলে আগে ফিলিস্তিন ও আফগানিস্তানে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করুক।”

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ফজলে বারী মাসউদ বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আবারও রক্তপিপাসু হয়ে উঠেছে। গোপালগঞ্জে হামলা তার প্রমাণ। প্রশাসনসহ যেখানেই আওয়ামী ঘাঁটি, সেখানেই বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

সমাবেশ শেষে একটি বিশাল মিছিল বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে পল্টন, বিজয়নগর হয়ে হাউজ বিল্ডিং পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়।