শাপলার চেতনা আগামীর বাংলাদেশের মাইলফলক: মামুনুল হক
- আপডেট সময় : ১০:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫ ৮০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও শাপলা স্মৃতি সংসদের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, শাপলা চত্বরের রক্তের স্রোত থেকেই চব্বিশের চেতনার ধারা শুরু হয়েছে। জুলাই ঘোষণাপত্রে শাপলার প্রসঙ্গ না আসার দায় যেমন ড. ইউনূসকে নিতে হবে, তেমনি পুরো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও বহন করতে হবে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শাপলা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শাপলা কেন্দ্রীক বিভিন্ন কাজে অংশীজনের সম্মাননা ও সম্মিলনী–২০২৫’ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মামুনুল হক আরও বলেন, শাপলার চেতনাকে আগামীর বাংলাদেশের মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতেই শাপলা স্মৃতি সংসদ গঠিত হয়েছে। শাপলার শহীদ পরিবারের অভিভাবকত্ব গ্রহণের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে শাপলা শহীদ গার্ডিয়ান্স ফোরাম। আগামীর বাংলাদেশে জুলাইকে মূল্যায়ন করা মানেই শাপলাকে মূল্যায়ন করা।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী। যৌথভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দীন, মাওলানা আল আবিদ শাকির ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান সাগর।
আলোচকরা বলেন, শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। ইতিহাস গোপনের চেষ্টা বিগত এক যুগ ধরে চললেও শাপলার রক্ত শহীদদের ত্যাগকে চিরজীবন্ত করে রেখেছে।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ (পীর সাহেব মধুপুর) বলেন, শাপলার শহীদরা ঈমানি শক্তির প্রতীক। তাদের আত্মত্যাগকে ধারণ করেই ইসলামী আন্দোলন এগিয়ে যাবে।
জামায়াতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল হালিম বলেন, বিগত পনেরো বছরে আলেম সমাজকে ভিন্নভাবে চিত্রিত করা হলেও এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, শাপলার ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষার ইতিহাস। সংবিধান পরিবর্তন না হলে আবারও শাপলার মতো আন্দোলন ফিরে আসবে।
বিএনপির সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন বলেন, ইসলামী তাহযিব ও তামাদ্দুন রক্ষায় শাপলার বজ্রকণ্ঠ অব্যাহত থাকলে দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শিব্বির মাহমুদ, দৈনিক আমার দেশ’র ম্যানেজিং এডিটর জাহিদ চৌধুরী, বিএনপির সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন মিসবাহ, চট্টগ্রাম কোর্টের অতিরিক্ত পিপি রিয়াদ উদ্দীন, হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, জমিয়তের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা বশিরউল্লাহ, হাসান ইনাম, মাওলানা মনযুর আহমদ, মাওলানা আলী হাসান তৈয়্যব, মাওলানা হাসান জুনাইদ, জাহিদুজ্জামান, মাওলানা মুর্শিদুল আলম সিদ্দীকি, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা জাকির হোসাইন, মাওলানা আফসার মাহমুদ, ফাতেহ সোলায়মান, সাখাওয়াত হোসাইন, মুফতি সাঈদ আহমদ, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, ইবরাহীম জামিল, মাওলানা আব্দুল হক শামীম প্রমুখ।
এসইউটি/














