সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হামাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গাজার যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময় চুক্তির সর্বশেষ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে হামাস। আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের উদ্যোগে দেওয়া এই প্রস্তাবে সম্মত হওয়ার কথা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন ফিলিস্তিনি এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর এক সূত্র।

মিশর ও কাতারের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবটি দুটি ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা জানান, এটি যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফের অগ্রসর করা কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, হামাস দুই ধাপে প্রায় অর্ধেক ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। বর্তমানে ৫০ জন জিম্মি আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্যে ২০ জন জীবিত। ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময় এই মুক্তি প্রক্রিয়া চলবে। সেই সময়ে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা হবে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি।

রবিবার রাতে তেল আবিবে লাখো মানুষ সমবেত হয়ে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন হামাসের সঙ্গে চুক্তি করে জিম্মিদের ফেরানোর জন্য।

তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, এই বিক্ষোভগুলো হামাসের দরকষাকষির অবস্থানকে শক্ত করছে। দুদিন আগে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, সব জিম্মিকে একসঙ্গে মুক্তি দিলে তবেই ইসরায়েল চুক্তিতে রাজি হবে।

এদিকে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা চলতি সপ্তাহেই সেনাবাহিনীর গাজায় অভিযান সম্প্রসারণ ও গাজা শহর দখলের পরিকল্পনা অনুমোদন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত মাসে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর নেতানিয়াহু এ ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তখন হামাস জানিয়েছিল, যুদ্ধের ইতি টানলেই কেবল অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া সম্ভব। কিন্তু নেতানিয়াহু শর্ত দেন— হামাসকে নিরস্ত্র হতে হবে এবং সব জিম্মি মুক্তি দিতে হবে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন আক্রমণে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এর পর থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬২ হাজার ৪ জন নিহত হয়েছেন।

সূত্র: বিবিসি নিউজ

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হামাস

আপডেট সময় : ১০:২৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

 

গাজার যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি বিনিময় চুক্তির সর্বশেষ প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে হামাস। আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের উদ্যোগে দেওয়া এই প্রস্তাবে সম্মত হওয়ার কথা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন ফিলিস্তিনি এই সশস্ত্র গোষ্ঠীর এক সূত্র।

মিশর ও কাতারের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবটি দুটি ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা জানান, এটি যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফের অগ্রসর করা কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

প্রস্তাব অনুযায়ী, হামাস দুই ধাপে প্রায় অর্ধেক ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে। বর্তমানে ৫০ জন জিম্মি আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্যে ২০ জন জীবিত। ৬০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির সময় এই মুক্তি প্রক্রিয়া চলবে। সেই সময়ে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা হবে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি।

রবিবার রাতে তেল আবিবে লাখো মানুষ সমবেত হয়ে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন হামাসের সঙ্গে চুক্তি করে জিম্মিদের ফেরানোর জন্য।

তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, এই বিক্ষোভগুলো হামাসের দরকষাকষির অবস্থানকে শক্ত করছে। দুদিন আগে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল, সব জিম্মিকে একসঙ্গে মুক্তি দিলে তবেই ইসরায়েল চুক্তিতে রাজি হবে।

এদিকে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা চলতি সপ্তাহেই সেনাবাহিনীর গাজায় অভিযান সম্প্রসারণ ও গাজা শহর দখলের পরিকল্পনা অনুমোদন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত মাসে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে পরোক্ষ আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর নেতানিয়াহু এ ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তখন হামাস জানিয়েছিল, যুদ্ধের ইতি টানলেই কেবল অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া সম্ভব। কিন্তু নেতানিয়াহু শর্ত দেন— হামাসকে নিরস্ত্র হতে হবে এবং সব জিম্মি মুক্তি দিতে হবে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন আক্রমণে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এর পর থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি সেনারা।

হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬২ হাজার ৪ জন নিহত হয়েছেন।

সূত্র: বিবিসি নিউজ