ক্ষতির ক্ষত
- আপডেট সময় : ১১:৪২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ ১৪২ বার পড়া হয়েছে

ক্ষতির ক্ষত

ভাঙারির দোকান খুলে এবার আমার
পাকস্থলীর পাটাতনে নরকের আগুন—
আলসারের উচ্ছৃঙ্খল ক্ষত।
একেক মাল একেকজনে একেক ভাবে নামকরণ দেয়,
একেকজন একেক স্থানে লুকিয়ে রাখতে ব্যস্ত হয়।
পুরোনো লোহার রডকে কেউ বলে সোনার ডাং,
কেউবা বলে গলির আঁধারে নিক্ষিপ্ত শুয়োরের শিশ্ন—
জাতের বেজ্জাতি উল্লাস।
ভাঙা বোতলের কাঁচের টুকরোগুলো
কারোর কাছে হীরক খণ্ড,
অন্য পক্ষ এসে বলে অশ্লীল গল্পের চটকদার বিজ্ঞাপন।
বিদ্যুতের ছেঁড়া তার অথবা উচ্ছিষ্ট প্লাস্টিক
কারোর কাছে টপ লেভেলের নিবন্ধের ভাষা,
কারোর কাছে বেশ্যালয়ের মদ পঁচা ঘ্রাণ।
এখানেই দ্বন্দ্বের সমাপ্তি নয়,
সবপক্ষই তাদের ঘোষিত মূল্যবান সম্পদ গুলো সামলাতে
মরিয়া হয়ে ওঠে নিরাপদ গোলাঘর খোঁজায়।
কেউ বেছে নেয় লুঙ্গির তল কিংবা জাইঙ্গার পকেট,
কেউবা একেবারে গোপনাঙ্গে ঢুকিয়ে রাখে;
পাছে ভয় আমি হৃদয়হীন ব্যবসায়ী যদি লুট করে ফেলি।
এখানেও ভোগান্তির শেষ নেই—
খাঁটি-নকল পরখ করতে
আমাকে ঝরাতে হয় মেধাবী নামের জোৎস্নার লাল।
আমার আর বলা হয়ে উঠছে না,
“আমার ব্যবসা এবার পুরো রমরমা।”











