সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

ক্ষতির ক্ষত

মোঃ নজরুল ইসলাম বুলবুল মোল্লা
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ ১৪২ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ক্ষতির ক্ষত

ক্ষতির ক্ষত
মোঃ নজরুল ইসলাম বুলবুল মোল্লা

ভাঙারির দোকান খুলে এবার আমার

পাকস্থলীর পাটাতনে নরকের আগুন—

আলসারের উচ্ছৃঙ্খল ক্ষত।

একেক মাল একেকজনে একেক ভাবে নামকরণ দেয়,

একেকজন একেক স্থানে লুকিয়ে রাখতে ব্যস্ত হয়।

পুরোনো লোহার রডকে কেউ বলে সোনার ডাং,

কেউবা বলে গলির আঁধারে নিক্ষিপ্ত শুয়োরের শিশ্ন—

জাতের বেজ্জাতি উল্লাস।

ভাঙা বোতলের কাঁচের টুকরোগুলো

কারোর কাছে হীরক খণ্ড,

অন্য পক্ষ এসে বলে অশ্লীল গল্পের চটকদার বিজ্ঞাপন।

বিদ্যুতের ছেঁড়া তার অথবা উচ্ছিষ্ট প্লাস্টিক

কারোর কাছে টপ লেভেলের নিবন্ধের ভাষা,

কারোর কাছে বেশ্যালয়ের মদ পঁচা ঘ্রাণ।

এখানেই দ্বন্দ্বের সমাপ্তি নয়,

সবপক্ষই তাদের ঘোষিত মূল্যবান সম্পদ গুলো সামলাতে

মরিয়া হয়ে ওঠে নিরাপদ গোলাঘর খোঁজায়।

কেউ বেছে নেয় লুঙ্গির তল কিংবা জাইঙ্গার পকেট,

কেউবা একেবারে গোপনাঙ্গে ঢুকিয়ে রাখে;

পাছে ভয় আমি হৃদয়হীন ব্যবসায়ী যদি লুট করে ফেলি।

এখানেও ভোগান্তির শেষ নেই—

খাঁটি-নকল পরখ করতে

আমাকে ঝরাতে হয় মেধাবী নামের জোৎস্নার লাল।

আমার আর বলা হয়ে উঠছে না,

“আমার ব্যবসা এবার পুরো রমরমা।”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

Categories

ক্ষতির ক্ষত

আপডেট সময় : ১১:৪২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

 

ক্ষতির ক্ষত

ক্ষতির ক্ষত
মোঃ নজরুল ইসলাম বুলবুল মোল্লা

ভাঙারির দোকান খুলে এবার আমার

পাকস্থলীর পাটাতনে নরকের আগুন—

আলসারের উচ্ছৃঙ্খল ক্ষত।

একেক মাল একেকজনে একেক ভাবে নামকরণ দেয়,

একেকজন একেক স্থানে লুকিয়ে রাখতে ব্যস্ত হয়।

পুরোনো লোহার রডকে কেউ বলে সোনার ডাং,

কেউবা বলে গলির আঁধারে নিক্ষিপ্ত শুয়োরের শিশ্ন—

জাতের বেজ্জাতি উল্লাস।

ভাঙা বোতলের কাঁচের টুকরোগুলো

কারোর কাছে হীরক খণ্ড,

অন্য পক্ষ এসে বলে অশ্লীল গল্পের চটকদার বিজ্ঞাপন।

বিদ্যুতের ছেঁড়া তার অথবা উচ্ছিষ্ট প্লাস্টিক

কারোর কাছে টপ লেভেলের নিবন্ধের ভাষা,

কারোর কাছে বেশ্যালয়ের মদ পঁচা ঘ্রাণ।

এখানেই দ্বন্দ্বের সমাপ্তি নয়,

সবপক্ষই তাদের ঘোষিত মূল্যবান সম্পদ গুলো সামলাতে

মরিয়া হয়ে ওঠে নিরাপদ গোলাঘর খোঁজায়।

কেউ বেছে নেয় লুঙ্গির তল কিংবা জাইঙ্গার পকেট,

কেউবা একেবারে গোপনাঙ্গে ঢুকিয়ে রাখে;

পাছে ভয় আমি হৃদয়হীন ব্যবসায়ী যদি লুট করে ফেলি।

এখানেও ভোগান্তির শেষ নেই—

খাঁটি-নকল পরখ করতে

আমাকে ঝরাতে হয় মেধাবী নামের জোৎস্নার লাল।

আমার আর বলা হয়ে উঠছে না,

“আমার ব্যবসা এবার পুরো রমরমা।”