সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

পরিত্যক্ত সিনেমা হল এখন মসজিদ

ইনসাইড ডেস্ক ::
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নড়াইলের কালিয়াতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ‘আল্পনা’ সিনেমা হলের জরাজীর্ণ ভবনের সামনে ‘কালিয়া উপজেলা তাবলীগি মার্কাজ মসজিদ’ নামে একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘আলমী শুরায়ী নেজাম’ সংগঠনের ‘সাথী এবং কালিয়া উপজেলা ওলামা ও ইমাম পরিষদের সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে এটি আমরা প্রশাসনের কাছ থেকে বাৎসরিক ৪ হাজার টাকা মূল্যে ইজারা নিয়েছি। ভবনটা জরাজীর্ণ হলেও যতটুকু সম্ভব আমরা ব্যবহারযোগ্য করব, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, এখানে আমরা ‘তাবলীগি মার্কাজ মসজিদ’ চালু করেছি। বিভিন্ন দেশ ও ঢাকার কাকরাইল থেকে কালিয়াতে যে তাবলীগ জামাতগুলো আসবে, তারা প্রথমে এখানে আসবে। পরে স্থানীয় তাবলীগ জামাতের সাথীদের সঙ্গে পরামর্শ করে বিভিন্ন মসজিদে যাবেন।

এর আগে গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ব্যানারটি টানায় ‘আলমী শুরায়ী নেজাম’ নামে একটি সংগঠনটি। বর্তমানে ভবনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করছেন তারা৷

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে ‘টাউন হল’ নামে ওই ভবনটির উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক শাফায়াত আলী। কয়েক বছর পর সেটি ইজারা নিয়ে ‘আল্পনা’ নামে একটি সিনেমা হল চালু করেন এক ব্যক্তি। তবে প্রায় ২০ বছর আগে ওই সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে ভবনটি আর ব্যবহার হয়নি৷ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে থাকতে ভবনটির অবস্থা এখন খুবই জরাজীর্ণ।

খালিদ হোসেন নামে কালিয়া বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। এখন একটি ভালো কাজের জন্য এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে আমরা আনন্দিত এবং সফলতা কামনা করছি।

এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, এটি একটি ভেস্টেড প্রোপার্টি (অর্পিত সম্পত্তি)। অর্পিত সম্পত্তি প্রতিবছরই ইজারা দেওয়া হয়। একসময় এটি সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ ইজারা নিয়েছিল। সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেলে গত ২০ বছর এটি আর ইজারা হয়নি। ওই জায়গাটা মাদকসেবিদের আঁকড়ায় পরিণত হয়েছিল। সরকারি সম্পত্তি দখলে রাখা ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে আমরা এটিকে ইজারা দিয়েছি।

এসইউটি/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

পরিত্যক্ত সিনেমা হল এখন মসজিদ

আপডেট সময় : ০৬:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নড়াইলের কালিয়াতে বন্ধ হয়ে যাওয়া ‘আল্পনা’ সিনেমা হলের জরাজীর্ণ ভবনের সামনে ‘কালিয়া উপজেলা তাবলীগি মার্কাজ মসজিদ’ নামে একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ‘আলমী শুরায়ী নেজাম’ সংগঠনের ‘সাথী এবং কালিয়া উপজেলা ওলামা ও ইমাম পরিষদের সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, সংগঠনের পক্ষ থেকে এটি আমরা প্রশাসনের কাছ থেকে বাৎসরিক ৪ হাজার টাকা মূল্যে ইজারা নিয়েছি। ভবনটা জরাজীর্ণ হলেও যতটুকু সম্ভব আমরা ব্যবহারযোগ্য করব, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, এখানে আমরা ‘তাবলীগি মার্কাজ মসজিদ’ চালু করেছি। বিভিন্ন দেশ ও ঢাকার কাকরাইল থেকে কালিয়াতে যে তাবলীগ জামাতগুলো আসবে, তারা প্রথমে এখানে আসবে। পরে স্থানীয় তাবলীগ জামাতের সাথীদের সঙ্গে পরামর্শ করে বিভিন্ন মসজিদে যাবেন।

এর আগে গত বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ব্যানারটি টানায় ‘আলমী শুরায়ী নেজাম’ নামে একটি সংগঠনটি। বর্তমানে ভবনটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করছেন তারা৷

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে ‘টাউন হল’ নামে ওই ভবনটির উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন জেলা প্রশাসক শাফায়াত আলী। কয়েক বছর পর সেটি ইজারা নিয়ে ‘আল্পনা’ নামে একটি সিনেমা হল চালু করেন এক ব্যক্তি। তবে প্রায় ২০ বছর আগে ওই সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে ভবনটি আর ব্যবহার হয়নি৷ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে থাকতে ভবনটির অবস্থা এখন খুবই জরাজীর্ণ।

খালিদ হোসেন নামে কালিয়া বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘দীর্ঘদিন ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। এখন একটি ভালো কাজের জন্য এটি ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে আমরা আনন্দিত এবং সফলতা কামনা করছি।

এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, এটি একটি ভেস্টেড প্রোপার্টি (অর্পিত সম্পত্তি)। অর্পিত সম্পত্তি প্রতিবছরই ইজারা দেওয়া হয়। একসময় এটি সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ ইজারা নিয়েছিল। সিনেমা হল বন্ধ হয়ে গেলে গত ২০ বছর এটি আর ইজারা হয়নি। ওই জায়গাটা মাদকসেবিদের আঁকড়ায় পরিণত হয়েছিল। সরকারি সম্পত্তি দখলে রাখা ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে আমরা এটিকে ইজারা দিয়েছি।

এসইউটি/