নীলফামারী উত্তরা ইপিজেডে শ্রমিক আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে শ্রমিক নিহত
- আপডেট সময় : ১১:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৭৯ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে এভার গ্রিন কোম্পানির শ্রমিক আন্দোলনে সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন শ্রমিক মো. হাবিব। ঘটনাটি ঘিরে শ্রমিক সমাজে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আপ বাংলাদেশ শ্রমিক উইং এক বিবৃতিতে এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিকরা চাকরি থেকে ছাঁটাই বন্ধসহ ন্যায্য দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে কোম্পানি বন্ধের নোটিশ জারি করায় শ্রমিকরা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যান। এর প্রতিবাদে আজ সকালে শ্রমিকরা ইপিজেডের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। ঠিক সে সময় রাষ্ট্রীয় বাহিনী গুলি চালালে নিহত হন শ্রমিক হাবিব।
বিবৃতিতে শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, রাষ্ট্র শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করছে না। সেনাবাহিনী, পুলিশ—সবাই মালিকপক্ষের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত। মালিক ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্ত নিতে পারলেও শ্রমিকরা ন্যায্য দাবি তুললেই গুলি খেতে হয়। এই হত্যার দায় কোনোভাবেই ইন্টেরিম সরকার এড়াতে পারবে না।
আপ বাংলাদেশ শ্রমিক উইং অবিলম্বে চার দফা দাবি জানিয়েছে—
১. নিহত শ্রমিক মো. হাবিবের হত্যার দায়ে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা।
২. নিহতের পরিবারকে আজীবন ভরণপোষণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদান।
৩. এভার গ্রিন কোম্পানি ও উত্তরা ইপিজেড কর্তৃপক্ষের শ্রমিকবিরোধী সিদ্ধান্তসমূহ বাতিল করা।
৪. ইপিজেডে শ্রমিকদের সংগঠন ও আন্দোলনের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতে আইন প্রণয়ন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শ্রমিকের রক্তের ঋণ রাষ্ট্র কোনোদিন শোধ করতে পারবে না। প্রতিটি গুলির হিসাব আন্দোলনের ময়দানে শ্রমিক শ্রেণিই তুলে নেবে।
শ্রমিক সংগঠনগুলো দ্রুত বিচার ও শ্রমিক অধিকারের সুরক্ষায় সরকারের পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে।
এসইউটি/











