রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনীচর্চার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
- আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৯৯ বার পড়া হয়েছে

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা রাসুল (সা.)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আপনি সুমহান চরিত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’ (সুরা কলম: ৪)। আবার সুরা আহজাবের ২১ নম্বর আয়াতে ঘোষণা করা হয়েছে, ‘আল্লাহর রাসুলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ।’
অর্থাৎ জীবনের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহর নির্দেশনা কীভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে, তা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর জীবনে প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়েছেন। ইবাদত, পারিবারিক আচরণ, আত্মীয়-প্রতিবেশী সম্পর্ক, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা—সবকিছুতেই তিনি মানবতার জন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।
অত্যাচারী শক্তি দমন, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি কোরআনের আলোকে এক পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। জীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট ও নির্যাতন অতিক্রম করে কীভাবে সত্য প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় থাকতে হয়, তা তিনি ৬৩ বছরের জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষা দিয়ে গেছেন। এজন্যই কোরআনে তাঁকে বলা হয়েছে, ‘গোটা বিশ্ববাসীর জন্য রহমত।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭)।
মুসলমানদের জন্য তাঁর জীবনীচর্চা আরেক দিক থেকেও অপরিহার্য। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ছাড়া ইমান পূর্ণ হয় না। (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)। কিন্তু জীবনী না জানলে সেই ভালোবাসা অন্তরে জাগ্রত হওয়ার সুযোগ থাকে না। এ কারণেই পৃথিবীর বহু ভাষায় তাঁর জীবনকথা রচিত হয়েছে এবং অসংখ্য মানুষ সিরাতুন্নবী (সা.) অধ্যয়নের মাধ্যমে জীবনকে সঠিক পথে ফিরিয়ে এনেছে।
তাই আলোকিত ও নৈতিক জীবন গড়তে হলে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনীচর্চার বিকল্প নেই।
এসইউটি/











