সংবাদ শিরোনাম ::
শাওয়াল মাসের ছয় রোযার গুরুত্ব ও ফজিলত পবিত্র ঈদে অবাধ মেলামেশা: এক ভয়াবহ সামাজিক সংকট থার্টি ফার্স্ট নাইট : আত্মসমালোচনার বদলে আত্মবিস্মৃতি জুড়ী উপজেলা শাখায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন কমিটি গঠিত ফ্যাশন-বিকৃতি, লিঙ্গ-পরিচয় ও মানসিক বিপর্যয় ইসলামের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবু বকর (রা): একটি নির্মোহ মূল্যায়ন ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ৩ ধাপ এগোলো বাংলাদেশ মাদ্রাসায় নারী শিক্ষা বিস্তারের আহ্বান ধর্ম উপদেষ্টার দাওয়াতি কাজে মনোযোগ দিতে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আজহারীর ময়লার ভাগাড়ের সামনে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের সাক্ষাৎকার, যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য জায়গায়

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনীচর্চার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

ইনসাইড ইসলাম ::
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৯৯ বার পড়া হয়েছে
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা রাসুল (সা.)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আপনি সুমহান চরিত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’ (সুরা কলম: ৪)। আবার সুরা আহজাবের ২১ নম্বর আয়াতে ঘোষণা করা হয়েছে, ‘আল্লাহর রাসুলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ।’

অর্থাৎ জীবনের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহর নির্দেশনা কীভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে, তা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর জীবনে প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়েছেন। ইবাদত, পারিবারিক আচরণ, আত্মীয়-প্রতিবেশী সম্পর্ক, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা—সবকিছুতেই তিনি মানবতার জন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।

অত্যাচারী শক্তি দমন, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি কোরআনের আলোকে এক পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। জীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট ও নির্যাতন অতিক্রম করে কীভাবে সত্য প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় থাকতে হয়, তা তিনি ৬৩ বছরের জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষা দিয়ে গেছেন। এজন্যই কোরআনে তাঁকে বলা হয়েছে, ‘গোটা বিশ্ববাসীর জন্য রহমত।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭)।

মুসলমানদের জন্য তাঁর জীবনীচর্চা আরেক দিক থেকেও অপরিহার্য। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ছাড়া ইমান পূর্ণ হয় না। (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)। কিন্তু জীবনী না জানলে সেই ভালোবাসা অন্তরে জাগ্রত হওয়ার সুযোগ থাকে না। এ কারণেই পৃথিবীর বহু ভাষায় তাঁর জীবনকথা রচিত হয়েছে এবং অসংখ্য মানুষ সিরাতুন্নবী (সা.) অধ্যয়নের মাধ্যমে জীবনকে সঠিক পথে ফিরিয়ে এনেছে।

তাই আলোকিত ও নৈতিক জীবন গড়তে হলে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনীচর্চার বিকল্প নেই।

এসইউটি/

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

Categories

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনীচর্চার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা রাসুল (সা.)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘নিশ্চয়ই আপনি সুমহান চরিত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।’ (সুরা কলম: ৪)। আবার সুরা আহজাবের ২১ নম্বর আয়াতে ঘোষণা করা হয়েছে, ‘আল্লাহর রাসুলের মধ্যে তোমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ।’

অর্থাৎ জীবনের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহর নির্দেশনা কীভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে, তা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর জীবনে প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়েছেন। ইবাদত, পারিবারিক আচরণ, আত্মীয়-প্রতিবেশী সম্পর্ক, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা—সবকিছুতেই তিনি মানবতার জন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।

অত্যাচারী শক্তি দমন, অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম এবং শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি কোরআনের আলোকে এক পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। জীবনের নানা দুঃখ-কষ্ট ও নির্যাতন অতিক্রম করে কীভাবে সত্য প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় থাকতে হয়, তা তিনি ৬৩ বছরের জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষা দিয়ে গেছেন। এজন্যই কোরআনে তাঁকে বলা হয়েছে, ‘গোটা বিশ্ববাসীর জন্য রহমত।’ (সুরা আম্বিয়া: ১০৭)।

মুসলমানদের জন্য তাঁর জীবনীচর্চা আরেক দিক থেকেও অপরিহার্য। কারণ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ছাড়া ইমান পূর্ণ হয় না। (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)। কিন্তু জীবনী না জানলে সেই ভালোবাসা অন্তরে জাগ্রত হওয়ার সুযোগ থাকে না। এ কারণেই পৃথিবীর বহু ভাষায় তাঁর জীবনকথা রচিত হয়েছে এবং অসংখ্য মানুষ সিরাতুন্নবী (সা.) অধ্যয়নের মাধ্যমে জীবনকে সঠিক পথে ফিরিয়ে এনেছে।

তাই আলোকিত ও নৈতিক জীবন গড়তে হলে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনীচর্চার বিকল্প নেই।

এসইউটি/