আহ! রক্তধারায় ভেসে যাওয়া নিরপরাধের মাটি, তবু হত্যাযজ্ঞ থেমে নেই। নিকৃষ্ট ইয়াহুদীরা কখনো থামবে না , এসব মোহ - তারা অন্যত্র ষড়যন্ত্রের বীজ রোপণ করেছে। আবার এক হৃদয় বিদারক সংবাদ—সাহসী এক্টিভিস্ট সালেহ জা‘ফরী ভাই, সেই নিষ্কলুষ আত্মা, শহিদের মুকুটে ভূষিত হলেন রাজাকারদের রক্তাক্ত হাতে। তার নিস্তব্ধ দেহে আজও ধ্বনিত হচ্ছে প্রতিরোধের আহ্বান, তার রক্ত যেন এক অগ্নিশপথ — অন্যায় বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে অনন্ত সংগ্রামের প্রতীক।
যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতিতে তারা মঞ্চে চমক দেখিয়েছে—একটি করুণ আবরণের মতো, লোকচক্ষুর শান্তির খণ্ডচিত্র; কিন্তু ওই আবরণ অস্বচ্ছ নয়, তার অন্তর থেকে এখনও লুকিয়ে কোপ চলছে। তারা কথা বলছে সামরিক শান্তির, হাতেনাতে চালাচ্ছে নিঃশব্দ হত্যার ব্যবসা—যেন অন্ধকারে প্রদীপ নিভানো হয়, আলো টিকে থাকে বিষণ্ণ প্রতারণার ছায়ায়।
হে জনসমুদ্র, এই লজ্জার মঞ্চে তুমি কান কি করে ক্লান্ত রাখবে? যুদ্ধবন্ধের মোহাবিষ্ট শপথ কেবল শব্দের শাড়ি — পাতোঁয়া, ঝরঝরে; আর ভিতরের কবরের নীরব কাঁপুনি কেমন করে তুমি অন্ধকারে লুকিয়ে রাখবে? সত্যের মেঘ ছেরে উঠতে হবে; নীরবতা আর নয়, প্রতিবাদ যেন ঢেউ হয়ে ওঠে — যে ঢেউ ভেঙে দেবে প্রতারণার কড়াল।
গাজাবাসীদের আকণ্ঠ বিলাপ, তাদের ভারাক্রান্ত হৃদয়-দূরবস্থার অন্ত নেই। যুদ্ধবিরতির নামে যখন অচল করে রাখা হয় শান্তির মোড়ক, অভ্যন্তরে তখনো চলমান আগ্রাসন বিরামহীন; ফাঁকা মাঠে নিপীড়নের সেই কালো নকশাই ছড়াচ্ছে ইয়াহুদীরা। আগ্রাসন বন্ধ’ বলে শক্তি যোগ করে তাদেরই হাতে হামলার আধিক্য বাড়ানো হচ্ছে। আরব বিশ্ব! তোমাদের মিষ্টি কথায় ইহুদিদের কোনো কিছু যায় আসে না; তারা এক মরণফাঁদ — যেখানে সহজেই মুসলিমরা পা দিয়ে দেয়।
আমার শহিদ ভাইকে ইয়াহুদীরা সরাসরি কিছুই করতে পারেনি , করেছে ইয়াহুদী চাটুকার দুর্বৃত্ত গুপ্তচর রাজাকারেরা। হা/মাস দমবার পাত্র নয় , এরা সালাউদ্দিন আইয়ুবীর উত্তরসূরী ।
● মুহাম্মদ আম্মার হোসাইন: শিক্ষার্থী, আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়।