ফেনীর সোনাগাজী মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফী হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বর্তমান ফরিদগঞ্জ থানার ওসি শাহ আলমের বিচারের দাবিতে দণ্ডপ্রাপ্তদের স্বজনেরা মানববন্ধন করলে হামলার ঘটনা ঘটে। বুধবার ফরিদগঞ্জ থানার মোড়ে এ মানববন্ধনে দণ্ডপ্রাপ্তদের স্বজনেরা অংশ নেন।
মানববন্ধন চলাকালে জেলা যুবদলের সদস্য আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে একদল লোক হামলা চালায়। তারা মানববন্ধনের ব্যানার ছিনিয়ে নেয় এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত ও ক্যামেরা ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় সাংবাদিক মো. রাকিবুল হাসান বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
মানববন্ধনকারীরা অভিযোগ করেন, নুসরাত হত্যার মামলায় সাবেক পিবিআই প্রধান বনজ কুমারের নির্দেশে নিরপরাধদের জোর করে স্বীকারোক্তি আদায় এবং ঘুষ নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সেই সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন বর্তমান ফরিদগঞ্জ থানার ওসি শাহ আলম। তাঁকে বিচারের আওতায় আনার দাবিতেই মানববন্ধন করা হয়।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক রাকিবুল হাসান বলেন, “সংবাদ সংগ্রহের সময় যুবদল নেতা আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়, ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয় এবং আমাদের লাঞ্ছিত করে। আমরা মামলা করেছি, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
ওসি শাহ আলম বলেন, “আমি দায়িত্ব পালন করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছি, আদালত রায় দিয়েছে। মানববন্ধনের সময় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে, আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
এদিকে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত যুবদল নেতা আব্দুল মতিনকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল। সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক নুরুল ইসলাম সোহেলের স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাঁর সব পদ স্থগিত করা হয়।
এসইউটি/