ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সন্ত্রা’সবাদ দমনে নয়াদিল্লিকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বেইজিং। রোববার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
বৈঠক নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি বিক্রম মিশ্রি সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্টভাবে সমস্যাগুলো তুলে ধরেছেন। এ সমস্যা ভারত-চীন উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সমস্যা সমাধানে চীন সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, সীমান্তে সন্ত্রা’সবাদ ইস্যুকে বেশ গুরুত্ব দিয়েছেন মোদি। কারণ এতে শুধু ভারত নয়, চীনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশই একে অপরকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের মিত্র চীন জুন মাসে এসসিও সম্মেলনে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে কাশ্মীরের পেহেলগামের হা’ম’লার প্রসঙ্গ না তুলে বেলুচিস্তানের ঘটনার উল্লেখ করে। এতে পরোক্ষভাবে ভারতের জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয় চীন, যা নিয়ে ভারত অসন্তোষ প্রকাশ করে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি নিয়েও আলোচনা করেন দুই নেতা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন, যার মধ্যে ২৫ শতাংশ এসেছে রাশিয়া থেকে জ্বালানি আমদানির কারণে। সাংহাই সহযোগী সংস্থার ওই সম্মেলনে বিষয়টি মোকাবিলায় ভারত ও চীন যৌথ পদক্ষেপ নেবে বলেও আলোচনা হয়।
এদিকে, চীনে চলমান সাংহাই কো-অপারেশন সামিটে আজ মুখোমুখি হবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পেহেলগামে ব’ন্দু’ক হা’ম’লা ও অপারেশন সিঁদুরের পর এটাই হবে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ।
আইজে/