চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ককে আরও গভীর করতে চায়।
রোববার (২৫ আগস্ট) চীনের বন্দর শহর তিয়ানজিনে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের অবকাশে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত সাত বছরের মধ্যে এটাই প্রথমবার মোদীর চীন সফর।
গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে জানা যায়, বৈঠকে প্রেসিডেন্ট শি বলেন, চীন ও ভারত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সহযোগিতার অংশীদার। তিনি আরও বলেন, দুই দেশ একে অপরের কাছে হুমকি নয়, বরং উন্নয়নের সুযোগ।
[caption id="attachment_3465" align="alignnone" width="300"]
শি-মোদীর বৈঠক[/caption]
প্রধানমন্ত্রী মোদী বৈঠকে জানান, দুই দেশের মধ্যে এখন শান্তি ও স্থিতিশীলতার পরিবেশ বিরাজ করছে। তিনি বলেন, ভারত-চীন সরাসরি বিমান চলাচল আবার শুরু হবে। যদিও কোনো তারিখ নির্দিষ্ট করে জানাননি। ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর এ যোগাযোগ বন্ধ ছিল।
প্রেসিডেন্ট শি বলেন, সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদী মানসিকতা ও কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে সামলাতে হবে। "পরস্পরের বন্ধু হওয়াটাই সঠিক পছন্দ হবে," যোগ করেন তিনি।
এসময় মোদী কৈলাস মানসরোবর যাত্রা ও পর্যটক ভিসার বিষয়ও উল্লেখ করেন। সম্প্রতি ভারত চীনা নাগরিকদের জন্য পর্যটক ভিসা চালু করেছে এবং চীনও ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের তিব্বতে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
[caption id="attachment_3466" align="alignnone" width="300"]
শেহবাজ শরিফসহ ২০ জনেরও বেশি বিশ্বনেতারা[/caption]
এসসিও সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ ২০ জনেরও বেশি বিশ্বনেতা অংশ নিয়েছেন।
তিয়ানজিনে সম্মেলন ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। শহরের রাস্তায় ব্যানার-বিলবোর্ডে সজ্জিত করা হয়েছে, রাতজুড়ে চলছে আলোকসজ্জা ও লেজার শো। এতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নিচ্ছেন।
তবে নিরাপত্তা ও যানবাহন ব্যবস্থাপনায় চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। মাঝে মাঝে রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, ট্যাক্সি সেবা স্থগিত থাকায় স্থানীয়রা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন। পুলিশ নাগরিকদের শহরের ভেতরে অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে।
এসইউটি/