হবিগঞ্জে অনুমতি ছাড়া দাড়ি রাখার অভিযোগে তিন পুলিশ কনস্টেবলকে লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে গত ২১ আগস্ট এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।
শাস্তিপ্রাপ্তরা হলেন— সদর কোর্টের কনস্টেবল দুলাল মিয়া, অপরাধ শাখার কনস্টেবল হৃদয় আহমেদ এবং মোটরযান শাখার কনস্টেবল ইফতেখার হোসেন সুমন।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এ.এন.এম সাজেদুর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে উল্লেখ করা হয়, ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক দাড়ি রাখার অনুমতি চেয়ে তারা আবেদন করেছিলেন। তবে অনুমোদনের আগেই দাড়ি রাখা শুরু করেন। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার সময় তাদের মুখে দাড়ি দেখা যায়। নিয়ম ভঙ্গের কারণে প্রত্যেককে দুই দিনের জন্য প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে ‘পিডি’ (প্যারেড ড্রিল) করার শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
আদেশে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের আরআই (ভারপ্রাপ্ত)কে শাস্তি কার্যকর করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শাখার ইনচার্জদের ছাড়পত্র প্রদানেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পাওয়া নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের শাস্তি অযৌক্তিক ও দুর্ভাগ্যজনক।