কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা থেকে যুবলীগের তিন নেতা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগ দিয়েছেন। এরা হলেন—জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান সোহেল, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কবির শ্যামল ও সদস্য বাসেত আহমেদ।
জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই কিশোরগঞ্জ শহরের পুরানথানা এলাকায় এনসিপির এক পদযাত্রা ও পথসভায় অংশ নেন গোলাম কবির শ্যামল। সভায় তিনি মঞ্চে উঠে বক্তব্যও দেন। এরপর সেই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে যুবলীগের ভেতরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
এছাড়া ৫ জুন ঘোষিত এনসিপির ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিতে তাদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই কমিটিতে গোলাম কবির শ্যামলকে ২ নম্বর সদস্য, কামরুজ্জামান সোহেলকে ৪ নম্বর এবং বাসেত আহমেদকে ১১ নম্বর সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জেলা যুবলীগের পক্ষ থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে বহিষ্কারের দাবি জানানো হয়েছে। বহিষ্কারের দাবিপত্রে স্বাক্ষর করেন জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম বকুল, যুগ্ম আহ্বায়ক মীর আমিনুল ইসলাম সোহেল ও মো. রুহুল আমিন খান।
তবে অভিযুক্ত তিন নেতা বর্তমানে পলাতক থাকায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
প্রতিক্রিয়ায় গোলাম কবির শ্যামল জানান, “আমি ২০১৮ সালেই যুবলীগ থেকে পদত্যাগ করেছি। কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নিয়েছি, পরে জুলাই আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলাম। আওয়ামী লীগ করে শুধু প্রতারিত হয়েছি।”