বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ নিয়ে বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দলটি একটি সাত দফা দাবি উপস্থাপন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার, গণহত্যার বিচার, শাসনব্যবস্থায় ইসলামকে মূল নীতিতে পরিণত করা এবং গণ-আন্দোলনের ভিত্তিতে একটি নতুন জাতীয় সনদের ঘোষণা ও বাস্তবায়ন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল থেকেই হাজার হাজার কর্মী ও সমর্থক ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হন। তার আগের রাতেও অনেক নেতাকর্মী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করছিলেন। তীব্র গরম উপেক্ষা করেও তারা সমাবেশে অংশ নিতে থাকে।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা নির্বাচনে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির (পিআর) প্রবর্তন চায়, যাতে জনগণের ভোটের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে।
সমাবেশে অংশগ্রহণকারী এক কর্মী, ইকবাল হোসেন (৪০), বলেন, “আমরা এমন একটি নতুন বাংলাদেশ চাই, যেখানে শাসনের মূলনীতি হবে ইসলাম, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ মানুষ দেশ চালাবে এবং দুর্নীতির কোন স্থান থাকবে না। প্রয়োজনে আমরা এ লক্ষ্যে জীবন দিতেও প্রস্তুত।”
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এক সন্ধিক্ষণে জামায়াতে ইসলামীর এ ধরনের দাবি ও সমাবেশ দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদায়ের পর একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জোরালোভাবে উচ্চারিত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: Al Jazeera'র প্রতিবেদন।