জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। ইসলামি শরিয়তে এ দিনকে বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে দেখা হয়। মহান আল্লাহ কোরআনে বলেন, “হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আহ্বান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত চল তোমরা এবং ক্রয়-বিক্রয় পরিত্যাগ কর। এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পারো” (সুরা আল-জুমা, আয়াত ৯)।
সপ্তাহের এই দিন জোহরের ফরজ নামাজের পরিবর্তে জুমার দুই রাকাত ফরজ আদায় করা ওয়াজিব। তবে অনেক সময় দেখা যায়, কেউ মসজিদে এসে নামাজের পুরো রাকাত পান না বা দেরি করে আসেন। এ অবস্থায় করণীয় কী?
জুমার রাকাত ছুটে গেলে করণীয়:
ফিকহ ও হাদিস থেকে জানা যায়—
ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, “যে ব্যক্তি জুমার এক রাকাত পেয়ে যায়, সে যেন আরেক রাকাত পড়ে নেয়। কিন্তু যে রুকুও পায়নি, সে যেন জোহরের চার রাকাত পড়ে নেয়।” (ইবনে আবি শাইবা: ৬২১)
আরেকটি মাসআলা:
যদি কোনো ইমাম সাহেব ভুলবশত ওজু না করে জুমার নামাজ পড়িয়ে দেন, তবে মুসল্লিদের নামাজ আদায় হয়ে যাবে। তবে ইমাম নিজে নামাজ কাজা হিসেবে জোহরের চার রাকাত আদায় করবেন। (আল-মুন্তাকা মিন ফাতাওয়াল ফাওয়া: ৩/৬৮)
সুতরাং, জুমার নামাজ যথাসময়ে ও মনোযোগসহকারে আদায় করা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম পুরুষের জন্য ফরজ। কোনো কারণে নামাজের রাকাত ছুটে গেলে শরিয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী সেই অনুযায়ী নামাজ সম্পন্ন করা জরুরি।