অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘জাতীয় সংস্কারক’ স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে কোনো আগ্রহ দেখাননি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি স্পষ্ট করেন।
প্রেস সচিব লিখেছেন, “সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চে দায়ের করা রিট আবেদনে অধ্যাপক ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণা না করার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি হয়েছে। সরকার রুলের অনুলিপি পাওয়ার পর যথাসময়ে আইনি জবাব দেবে।”
তিনি আরও জানান, “অধ্যাপক ইউনূস নিজে কখনো এই ধরনের কোনো স্বীকৃতি পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেননি এবং সরকারও তাকে এমন কোনো উপাধি দেওয়ার পরিকল্পনা করেনি। মনে হচ্ছে, রিটটি ব্যক্তিগত উদ্যোগে দায়ের করা হয়েছে এবং এতে নির্দেশনা চাওয়ার যথাযথ ভিত্তিও অনুপস্থিত। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেবে।”
এর আগে সোমবার (১৪ জুলাই) হাইকোর্ট বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ থেকে অধ্যাপক ইউনূসকে ‘জাতীয় সংস্কারক’ ঘোষণা না করার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। একইসঙ্গে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ, ওয়াসিম আকরামসহ অন্যদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা না করার কারণ জানতে চেয়েও পৃথক রুল জারি করেন আদালত।
উক্ত রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল কবির।